রোহিঙ্গারা ধ্বংস করছে কক্সবাজারের বনভূমি

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রিত রোহিঙ্গারা  ইতোমধ্যেই সাড়ে ৮ হাজার একর বনভূমি ধ্বংস করেছে। বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যা ১০ হাজার একরের বেশি। আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা বনভূমি ধ্বংসের পাশাপাশি, নষ্ট করছে পশু-

পাখির আবাসস্থল। এতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় লোকালয়ে চলে আসছে বন্যপ্রাণী। ফলে ধবংস হচ্ছে জীব-বৈচিত্র। একের পর এক মারা পড়ছে হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী।

জানাযায়, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বন্যহাতীর কবলে ১৩ রোহিঙ্গাসহ মারা গেছে অন্তত ২০ জন। অন্যদিকে, লোকালয়ে প্রবেশকালে পাতানো ফাঁদে ও গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে অন্তত ৬টি হাতী। বন সংকুচিত হওয়ায় বিপন্ন হচ্ছে বন্যপ্রাণী। এ অবস্থায় নতুন করে অভয়ারণ্য সৃষ্টি করা গেলে বন্যপ্রাণী রক্ষা পাবে বলে মনে করেন উখিয়া ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক নুরুল আমিনসহ বিশিষ্টজনেরা।

বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে এলে সেগুলো উদ্ধার করে বনকর্মীরা পাশাপাশি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করেন বলে জানালেন কক্সবাজারের দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির। দ্রত সময়ের মধ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অভয়ারণ্য সৃষ্টি করা না গেলে এখানকার বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এদিকে বন বিভাগ বলছে, গত ৬ মাসে ক্যাম্প এলাকা উখিয়া-টেকনাফের লোকালয়ে আসা ৫ শতাধিক পশু-পাখি সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author