কিউয়দের হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ

৫ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। কিউয়দের হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ।

৬১
রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় এক রানেই ফিরে যান নাঈম শেখ। এরপর
লিটন দাসও তিন বল খেলেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন ১ রান করে। দলীয় ৭ রানে দুই
উইকেট হারানোর পর সাকিব এবং মুশফিক টেনে নেন বাংলাদেশ দলকে। এরপর সাকিব ২৫
রান করে ফিরে গেলে মুশফিক এবং মাহমুদুল্লাহ মিলে নিশ্চিত করেন কিউইদের
বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের প্রথম জয়। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ম্যাচ খেলেও কোনও জয় ছিলনা টাইগারদের।

এর আগে, অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মতো চলমান নিউজিল্যান্ড
সিরিজের প্রথম ম্যাচেও বোলিংয়ে টাইগারদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে মাত্র ৬০
রানে আটকে যায় কিউইদের ইনিংস। এটিই এখন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের
টি-টোয়েন্টিতে যৌথভাবে সর্বনিম্ন দলীয় ইনিংস। এর আগে ২০১৪ সালের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও ৬০ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।

মাহেদী হাসানকে দিয়ে বোলিং ওপেন করার সিদ্ধান্ত নেন
ক্যাপ্টেন মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়কের আস্থার প্রতিদানও দেন মেহেদী। ইনিংসের
প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন এই তরুণ স্পিনার। নিজের প্রথম
স্পেলের দ্বিতীয় বলে রবিন্দ্রকে আউট করেন মেহেদী। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ
নিয়ে কিউই ওপেনারকে সাজঘরে পাঠান বাংলাদেশি তারকা। দলীয় এক রানে প্রথম
উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

মেহেদীর পর উইল ইয়ংয়ের স্টাম্প উড়িয়ে দেন সাকিব আল
হাসান। নিজের প্রথম ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নেন নাসুম আহমেদ। দলীয় ৯ রানে ৪
উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে সফরকারীরা। এরপর টম লাথাম এবং হেনরি নিকলস কিছুটা
টেনে তোলার চেষ্টা করলেও বেশিদুর নিতে পারেননি তারা। দলীয় ৪৩ রানে লাথাম
ফিরে গেলে আবারও ধ্বস নামে কিউই ইনিংসে। ৫২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকে
সফরকারীরা। এরপর বাংলাদেশের হয়ে নিউজিল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে
দেন মুস্তাফিজ। বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজ নেন তিনটি, সাকিব, সাইফউদ্দীন,
এবং নাসুম আহমেদ নেন দুইটি করে উইকেট। মাহেদী হাসান নেন একটি উইকেট।

এর আগে, পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author