টাইগারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে  সর্বনিম্ন রান কিউইদের

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ কিউই ব্যাটসম্যানরা। সাকিব-মেহেদীদের ঘূর্ণিতে শুরু থেকেই ম্যাচের নাটাই টিম টাইগার্সের হাতের মুঠোয় ছিল। ধুঁকতে ধুঁকতে শেষ পর্যন্ত কিউইদের ইনিংস থামে মাত্র ৬০ রানে। নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম ম্যাচে বোলিংয়ে টাইগারদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে মাত্র ৬০ রানে আটকে গেছে কিউইদের ইনিংস।

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড। দীর্ঘ ৮ বছর পর মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ।

এটিই
এখন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ম দলীয় ইনিংস। এর আগে
২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬০ রানে অলআউট হয়
নিউজিল্যান্ড।

মাহেদী হাসানকে দিয়ে বোলিং ওপেন করার সিদ্ধান্ত নেন
ক্যাপ্টেন মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়কের আস্থার প্রতিদানও দেন মেহেদী। ইনিংসের
প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন এই তরুণ স্পিনার। নিজের প্রথম
স্পেলের দ্বিতীয় বলে রবিন্দ্রকে আউট করেন মেহেদী। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ
নিয়ে কিউই ওপেনারকে সাজঘরে পাঠান বাংলাদেশি তারকা। দলীয় এক রানে প্রথম
উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

মেহেদীর পর উইল ইয়ংয়ের স্টাম্প উড়িয়ে দেন সাকিব আল
হাসান। নিজের প্রথম ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নেন নাসুম আহমেদ। দলীয় ৯ রানে ৪
উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে সফরকারীরা। এরপর টম লাথাম এবং হেনরি নিকলস কিছুটা
টেনে তোলার চেষ্টা করলেও বেশিদুর নিতে পারেননি তারা। দলীয় ৪৩ রানে লাথাম
ফিরে গেলে আবারও ধ্বস নামে কিউই ইনিংসে। ৫২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকে
সফরকারীরা। এরপর বাংলাদেশের হয়ে নিউজিল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে
দেন

বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজ নেন তিনটি, সাকিব, সাইফউদ্দীন, এবং নাসুম আহমেদ নেন দুইটি করে উইকেট। মাহেদী হাসান নেন একটি উইকেট।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে একটিতেও জয় পায়নি বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডকে ৩-২ ব্যবধানে হারাতে পারলে টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে সাত নম্বরে উঠবে বাংলাদেশ। তার থেকেও বড় কথা, নিউজিল্যান্ডকে যদি বাংলাদেশ দল হোয়াইটওয়াশ করতে পারে, তাহলে র‌্যাংকিংয়ের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো টাইগাররা উঠে আসবে ৫ নম্বরে। এমন দুর্লভ সুযোগ হয়তো হেলায় হারাবেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author