কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণের দায়িত্ব শিল্প মন্ত্রণালয়কে দেয়া উচিত

সিন্ডিকেটের কারণে কয়েক বছর ধরে কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা। সরকার দক্ষ হাতে সামলানোর চেষ্টা করলেও অসাধুচক্রের কারণে ধকল পুরোপুরি কাটানো সম্ভব হচ্ছে না।

দেশে প্রতিবছর সোয়া দু-কোটির মতো পশুর চামড়া সংগ্রহ হয়। এর মধ্যে কোরবানির সময় আসে গড়ে সোয়া কোটি। করোনার কারণে গেলো বছর পশু কোরবানি কমেছে অন্তত ৩৫ শতাংশ। ফলে সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তারপরও নানা কারণে সে বছর চামড়া নিয়ে নৈরাজ্য ঠেকানো যায়নি।

যদিও কারসাজি বন্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানালেন শিল্পপ্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার। ঈদুল আজহায় ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী। বললেন, চামড়াখাতের পুরোটাই শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন। ফলে দাম নির্ধারণের দায়িত্বও এখানে থাকা উচিৎ। এ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বললেন, এটি কোন একক সিদ্ধান্ত নয়, মূল্য নির্ধারণ হয় আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায়।

দাম পড়ে যাওয়ার জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেন ট্যানারি মালিক, আড়তদার এবং ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা। স্পষ্ট হয়ে ওঠে সিন্ডিকেটের আধিপত্য। এসবের মারপ্যাচে ভেস্তে যায় কোরবানির চামড়া নিয়ে সরকারের নেয়া সব উদ্যোগ।

চামড়া কেনার পর জেলা-উপজেলা পর্যায়ে অন্তত তিনমাস পর্যন্ত সংরক্ষণের কৌশল নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে শিল্প মন্ত্রণালয়। এছাড়া ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি নয়, এমন ট্যানারি মালিকদের ঋণ দেয়ার পরিকল্পনাও আছে মন্ত্রণালয়ের।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author