করোনাকালেও চলছে চা বাগানের কার্যক্রম

দেশের উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের একটি প্রশাসনিক এলাকা হবিগঞ্জ জেলা। চা-বাগান, হাওর ও বনাঞ্চলের জন্য যার নামডাক সর্বত্র। দিগন্তজোড়া পাহাড় ও ছোট ছোট টিলা, মাঝখানে চোখজুড়ানো সবুজ চা বাগান।

এই জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনধারাও দেখা যায় । ত্রিপুরা, সাওতালসহ নানা সম্প্রদায়ের বসবাসও আছে এ জেলায়। এখানকার বাসিন্দাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম চাবাগান। হবিগঞ্জ জেলায় চা বাগান আছে মোট ২৪টি। যার মোট আয়তন ১৫ হাজার ৭শ ৩ দশমিক দুই চার হেক্টর।

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর চা শ্রমিকদের বেতন ভাতা কিছুটা বেড়েছে বলে জানান শ্রমিকরা। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে আরেকটু বাড়লে ভালো হতো। শ্রমিকরা বলেন, করোনাকালেও থেমে নেই চা-বাগানের কার্যক্রম। অতিমারির ধকল কাটাতে চা শ্রমিকদের অনেক সহায়তা দিয়েছে সরকার। করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় শ্রমিকদের সুরক্ষাসহ নানান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, ভবিষ্যতে অন্য খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চা শ্রমিকদের বেতনও বাড়ানো হবে। জানান, প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো চা শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে সরকার সবসময় সচেষ্ট আছে। এ কারণে হবিগঞ্জের শ্রমিকরা এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে দৈনিক মজুরি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, বিষয়টি সরকারের বিবেচনাধীন আছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author