করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নোয়াখালী পৌরসভাসহ ৬ ইউনিয়নে শুরু হয়েছে ৭ দিনের বিশেষ লকডাউন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সাতক্ষীরাতেও শুরু হয়েছে এক সপ্তাহ লকডাউন।

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নোয়াখালী পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নে
শুরু হয়েছে ৭ দিনের লকডাউন। ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া লকডাউন চলবে ১১ জুন রাত ১২টা
পর্যন্ত। জেলায় গেলো ২৪ ঘন্টায় ১২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৫ জনই পৌরসভাসহ
সদর উপজেলার বাসিন্দা। নোয়াখালীতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত ৯ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২৩ জনের।

সাতক্ষীরাতেও শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের লকডাউন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক এক বৈঠক শেষে, লকডাউন ঘোষণা করা হয়। সীমান্তবর্তী এ জেলায় কয়েকদিনের নমুনা
পরীক্ষায় গড়ে ৫৭ শতাংশ পজিটিভ পাওয়া গেছে। জেলায় এ
পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল, প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক কোয়ারেনটিনে
চিকিৎসাধীন আছেন ২৪৫ জন। 

লকডাউন সফল করতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত,পুলিশ ও
স্বাস্থ্য বিভাগ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তবে  লকডাউন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মানুষ। জীবনের
সঙ্গে জীবিকার বিষয়টিও দেখার অনুরোধ তাদের।

এদিকে, সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় খুলনা
মহানগরীর চার থানায় সপ্তাহব্যাপী কঠোর বিধি-নিষেধ চলছে। নওগাঁ পৌরসভা ও নিয়ামতপুর
উপজেলায় এক সপ্তাহ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ জুন পর্যন্ত দুই সপ্তাহ বিশেষ লকডাউন
চলছে।

রাজশাহীতে গেলো ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫ জন এবং রাজশাহীর ৩ জন।

এদিকে, ঢাকার নবাবগঞ্জে ৭ জনের দেহে করোনার ভারতীয়
ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০
জন পজিটিভ হন। এদের  মধ্যে
৭ জনের দেহে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়ে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author