করোনা
মহামারির কারণে গেলো বাজেটের মতো এবারও গুরুত্ব পেয়েছে স্বাস্থ্যখাত। এর অংশ
হিসেবে কোভিড টেস্টের কিট, পিপিই
এবং ভ্যাকসিন আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বহাল রাখার
প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে।

কৃষি
যন্ত্রপাতি যেমন নিড়ানি ও ঝাড়াইকল উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট অব্যাহতি
দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে থ্রেসার মেশিন,
পাওয়ার রিপার,
পাওয়ার টিলার,
অপারেটেড সিডার,
কম্বাইন হারভেস্টর, রোটারি টিলারের আমদানি পর্যায়ের আগাম কর
অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।

স্পিনিং
মিলে ব্যবহৃত পেপার কোনের ওপর বিদ্যমান মূল্য সংযোজন কর ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫
শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্যবসায়ী
পর্যায়ে ফলের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাই ফলের দাম কমতে পারে। এছাড়া উৎপাদন
পর্যায়ে মুড়ির ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সিসিভেদে
মাইক্রোবাস আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে। আর হাইব্রিড গাড়ির সম্পূরক শুল্কও কমানো
হয়েছে।

গ্রামাঞ্চলে
মানুষের স্যানিটেশন সুবিধা আরও সুলভ করার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ‘লং
প্যানের
ওপর থেকে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি স্যানিটারি
ন্যাপকিন ও ডায়াপার উৎপাদনের লক্ষ্যে কতিপয় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান
ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে অটিজম সেবার কার্যক্রমের
ওপর ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া
ব্লেন্ডার, জুসার, মিক্সার, গ্রাইন্ডার, ইলেক্ট্রিক কেটলি, রাইস কুকার, মাল্টি কুকার, প্রেসার কুকারের স্থানীয়
উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও
ইলেক্ট্রিক ওভেনের দামও কমতে পারে।

তবে
দাম বাড়বে অ্যালকোহল ও তামাক জাতীয় পণ্যের। বর্তমানে মদ আমদানিতে অন্যান্য শুল্কের
সঙ্গে ৫ শতাংশ অগ্রিম কর নেওয়া হয়। নতুন বাজেটে এটা বাড়িয়ে ২০ শতাংশ আরোপের
প্রস্তাব করা হয়েছে। অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ফলে সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্য গুল, জর্দার দাম বাড়তে পারে।

ফল
আমদানিতে ৫ শতাংশ অগ্রিম কর বাড়িয়ে ২০ শতাংশ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রসাধনী
আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ সব পণ্যের দাম বাড়বে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author