চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ জনের শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে জেলাবাসী।

সীমান্তবর্তী
জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। গত ১৯শে মে থেকে জেলার সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট
দিয়ে ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকরা দেশে আসতে শুরু করে। পরবর্তীতে
জেলায় করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বাড়তে থাকলে গেলো ২৫শে মে থেকে কঠোর লকডাউন
ঘোষণা করা হয়। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার ৭ জনের শরীরে করোনার ভারতীয় ধরণ
শনাক্ত হয়।

শনাক্ত হওয়া ৭ জনের করোরই বিদেশ ভ্রমনের তথ্য নেই বলে জানিয়েছে রোগতত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা আই.ই.ডি.সি.আর।

সংক্রমণ রুখতে দ্রত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে
স্থানীয়রা বলেন, তারা শঙ্কিত এই কারণে যে এই চলাচলে সংক্রমণ রোধ হবে না
বাড়বে। তারা কিছুই বুঝতে পারছেনা।

সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী বলেন, ‘আমরা আরও স্যাম্পল কালেক্ট করবো এবং তাদের কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করবো।’

এদিকে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। আর করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে এই লকডাউন বাড়তে পারে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর ব্যাটালিয়ন (বিজিবি-৫৯)
অধিনায়ক লে. কর্ণেল আমির হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যেন আমাদের
স্থলবন্দর দিয়ে কেউ দেশে প্রবেশ করতে না পারে। করোনার জন্য যে প্রটোকল দেয়া
হয়েছে তা আমরা যথাযথভাবে অনুসরণ করছি।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হাফিজ বলেন, ‘কিছুদিনের
জন্য আমাদের এই পোর্টটা বন্ধ রাখা যায় কিনা সে ব্যাপারে আমরা সরকারকে
অনুরোধ করবো। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অবশ্যই লকডাউন বাড়বে।’

জেলায় শনিবার পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১,৫৬৬ জন। আর মারা গেছেন ৩২ জন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author