উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো শিরোপা জিতলো চেলসি। ফাইনালে দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জার্মান মিডফিল্ডার কাই হাভার্টজ। ম্যাচ শুরুর আগে বাজির দর কিংবা সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, সব কিছুতেই এগিয়ে ছিলো ম্যানসিটি। পেপ গার্দিওলার দল শিরোপা জিতবে এটা ধরে নিয়েই ম্যান সিটির মালিক নিজ খরচে চার হাজার সমর্থককে নিয়ে যান পর্তুগালে।

কিন্তু পোর্তোতে রূপকথার জন্ম দিতে পারেনি ম্যান সিটি। থমাস টুখেলের
বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলের কাছে হার মেনেছে পেপ গার্দিওলা। ম্যাচের শুরু থেকেই
দু’দল উপহার দেয় আক্রমণাত্মক ফুটবল। এদিনও কোনও স্বীকৃত স্ট্রাইকার ছাড়া
একাদশ সাজান পেপ। তারপরও তার মিডফিল্ড নির্ভর দলকে ভালো টক্কর দিয়ে যায়
চেলসি। দু’দলের সামনেই আসে বেশ কিছু সুযোগ। তবে গোলের পরিষ্কার সুযোগ বেশি
এসেছিলো ম্যান সিটির। কিন্তু চেলসির রক্ষণ পোক্ত রাখেন ডিফেন্ডাররা।
গ্রোয়েন ইনজুরিতে ৩৯ মিনিটে মাঠে ছাড়েন চেলসি অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার থিয়াগো
সিলভা।

তবে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ফুটবলারকে হারিয়েও উদ্যম হারায়নি ব্লু শিবির। ৪২
মিনিটে মাঝ মাঠ থেকে মেসন মাউন্টের থ্রু বল বোকা বানায় ম্যান সিটি
ডিফেন্সকে। ওয়ান টু ওয়ানে কাই হাভার্টজ গোল করতে ভুল করেননি। চেলসির হয়ে এই
মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এই প্রথম গোল ২১ বছর বয়সী এই জার্মানের। লিড
নিয়ে বিরতিতে যায় চেলসি।

দ্বিতীয়ার্ধে কৌশলে পরিবর্তন আনেন গার্দিওলা। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন কেভিন ডি
ব্রুইনা। তার জায়গায় মাঠে নামেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এরপর আরো দুই পরিবর্তন
আনেন ম্যান সিটি কোচ। দুই অভিজ্ঞ ফার্নানদিনহো আর সার্জিও আগুয়েরোকে মাঠে
নামালে, বাড়তে থাকে সিটির আক্রমণের ধার।

১৯৯৯ সালে সিটির নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়ন্স
লিগের ফাইনালের যোগ করা সময়ে দুই গোল করে শিরোপা জিতেছিলো। কিন্তু এদিন শেষ
অঙ্কে হয়নি তেমন কোনও নাটকীয়তা। সিটি ভক্তদের হৃদয় টুকরো টুকরো করে ৯ বছর
পর আবারও ইউরোপ সেরার খেতাব ফিরে পায় চেলসি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author