ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সুন্দরবনের। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে কুমির-হরিণ ও কচ্ছপের আবাসস্থল। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে একমাত্র বণ্যপ্রানী প্রজনন কেন্দ্র করমজল। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বনের অভ্যন্তরে উচুস্থান তৈরীর দাবি বিশেষজ্ঞদের।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পাঁচ থেকে ছয় ফুটঁউচ্ছতার জলোচ্ছাসে বিধ্বস্ত হয় সুন্দরবন। পানির তোড় আর প্রবল হাওয়ায় পূর্ব সুন্দরবনের ২০টি জেটি, ৬টি ট্রলার, দুটি গোলঘর, একটি ফুট রেইল, একটি ওয়াচ টাওয়ার, চারটি স্টাফ ব্যারাক ও একটি রেস্ট হাউজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লবন পানি ডুকে নষ্ট হয়ে গেছে মিষ্টি পানির পুকুর। উজাড় হয়েছে অসংখ্য গাছপালা। আর হরিণসহ বহু প্রাণী মরেগেছে বলে জানান, পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন।

প্রাণী বিশেষজ্ঞ আজাদ কবির বলেন, জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে একমাত্র প্রজনন কেন্দ্রের অধিকাংশ এলাকা। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নানা অবকাঠামো।

এদিকে বন পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার জানালেন, জলোচ্ছ্বাসে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ করেছে বনের চলমান উন্নোয়ন প্রকল্পে। জানালেন, এর কারণে সুন্দরবন সুরক্ষায় বর্তমানে চলমান প্রকল্পও ব্যহত হবে।

এর আগে ২০২০ সালে ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সুন্দরবনের বেশ কিছু প্রাণী মারা যায়। ম্যানগ্রোপ সুন্দরবন বার বার প্রলয়করী ঘূর্ণিঝড় থেকে উপকুল বাসীকে রক্ষা করে। সেই সুন্দরবন আবার ক্ষতিগ্রস্থ হলো।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author