ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়ে তদন্ত করার ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশি আট শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর সম্মান জানিয়েছে সংস্থাটি। অন্যদিকে, ক্ষমতা দখলে নেয়ার পর প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকে ছেড়ে দিয়েছে মালির সেনাবাহিনী।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে প্রস্তাবটি তোলা হয়। এতে বলা হয়েছিল, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর ও পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের নিয়মতান্ত্রিক যুদ্ধাপরাধ তদন্তে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ যেন অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক কমিটি গঠন করে।

ইসরায়েলে জানিয়েছে, তারা জাতিসংঘের এই কমিটিকে যুদ্ধাপরাধ তদন্তে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবে না। দখলদারদের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তে ‘গভীরভাবে দুঃখপ্রকাশ’ করছে। তাদের কথায়, এতদিন যে ‘অগ্রগতি’ হয়েছে তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে এই পদক্ষেপ।

গত ৭ মে শুক্রবার মাহে রমজানের শেষ বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি মুসল্লি আল-আকসা মসজিদে সমবেত হলে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের ওপর হামলা চালায়। মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বর্বর ইসরায়েলিরা। এর দুদিন পরে পবিত্র শবে কদরেও আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষ হয়। এর প্রতিবাদে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়।

এরপর টানা ১১ দিনের এই সহিংসতায় ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনে অন্তত ২৫৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন, এদের মধ্যে ৬৬ শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় দুই হাজার বেসামরিক মানুষ। আর ফিলিস্তিনিদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে মারা গেছেন ১২ জন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author