প্রতিদিন বাড়ছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের নতুন জেগে উঠা চরের আয়তন। কমছে ভাসানচরের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সঙ্গে দূরত্ব। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নৌপথে ভাসানচর থেকে সন্দ্বীপে অনুপ্রবেশ করছে রোহিঙ্গা।

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে জেগে ওঠা নতুন চরের
কারণে ভাসানচরের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের দূরত্ব কমে এসেছে অনেক। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে
ভাটার সময় হেঁটেই ভাসানচর-সন্দ্বীপে যাতায়াত করা যায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভাসানচর থেকে রোহিঙ্গারা
পালিয়ে আসছে সন্দ্বীপে। সবশেষ গেল ১৮ মে ১১ রোহিঙ্গা ধরা পড়ার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,প্রশাসন নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এরইমধ্যে অনুপ্রবেশকারী
রোহিঙ্গাদের পুলিশে তুলে দিয়েছে সাধারণ মানুষ।

আপাতত স্বস্তি, এখনো স্থানীয় লোকের সম্পৃক্ততা
পাওয়া যায়নি রোহিঙ্গা পাচারে। আটক দালাল ইয়াছিন আরাফাত নিজেও রোহিঙ্গা।

সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জে পি দেওয়ান জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালানো হচ্ছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা জানান, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে রাজনৈতিক দল ও প্রশাসন।

আর সন্দ্বীপে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভাসান চরে প্রশাসনের সতর্ক অবস্থান জরুরী বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author