দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষা এবং
টিকা নেয়ার হার কমছে। মজুদ ফুরিয়ে আসায় ভ্যাকসিন কার্যক্রম সীমিত করেছে কয়েকটি
হাসপাতাল। মুগদা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে নিবন্ধন করা
অন্তত পাঁচ হাজার ব্যাক্তি সহসাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাবেনা না। এদিকে বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, দুই ডোজের মাঝখানে ষোল সপ্তাহের ব্যবধান বিজ্ঞানসম্মত। তবে এরমধ্যেই
সরকারকে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

ভারতে করোনা বিপর্যয়ের পর
থেকেই ভাটা পড়েছে দেশের ভ্যাকসিন কার্যক্রমে। মজুদ প্রায় ফুরিয়ে আসায় দ্বিতীয় ডোজ
দিতে পেরে নিজেকে ভাগ্যমান মনে করছেন অনেকে।

স্বাস্থ্যকর্মীদেরও ব্যস্ততা
নেই বললেই চলে। ১৫ দিনের ব্যবধানে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা কমেছে অর্ধেকেরও বেশি।

ঈদের আগে মুগদা জেনারেল
হাসপাতালে প্রতিদিন এক হাজার দুশো জনকে টিকা দেয়া হতো। সঙ্কটের কারণে এখন ডাকা
হচ্ছে আটশ জনকে। হাসপাতালের পরিচালক জানান, নিবন্ধিত অনেকেই এই মুহুর্তে দ্বিতীয়
ডোজ পাবেন না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম ডোজের
পর আট সপ্তাহ পার হলেও সমস্যা নেই। কারণ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকা ষোল
সপ্তাহের ব্যবধানেও নেয়া যায়।

ঈদ পরবর্তী চারদিন করোনা নমুনা
পরীক্ষা ছিলো হাতেগোনা। স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, ছুটি শেষ হওয়ার পর ভিড় কিছুটা
বেড়েছে। যাদের একটি বড় অংশ উপসর্গহীন।

এদিকে, ভারত থেকে ফিরে
সাতক্ষীরায় কোয়ারেন্টিনে থাকা ১১ বাংলাদেশি নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছেন বলে
জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author