ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ৪৪ দেশে, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

একাধিক রূপ বদলের কারণে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট মানব শরীরে দ্রুত ছড়াতে পারে। এমনকি এটি টিকার বাধাও মানছে না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও এড়িয়ে যেতে পারে সহজে। যা খুবই উদ্বেগজনক। এমনটাই জানিয়েছেন গবেষকরা।

করোনার ভারতীয় সংস্করণের বৈজ্ঞানিক নাম বি দশমিক এক দশমিক ৬১৭। যুক্তরাজ্যের সংস্করণের চেয়ে এটি অনেকটাই আলাদা। বিজ্ঞানীদের মতে এই মুহূর্তে ভারতীয় সংস্করণ সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী। তার সঙ্গে যুক্তরাজ্য এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সংস্করণও রয়েছে। এসব কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এ ব্যাপারে আতঙ্কিত না হয়ে অতিমাত্রায় সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিলেন এ চিকিতসক-গবেষকরা। আর গবেষকরা জানান, করোনার ভারতীয় সংস্করণ শুধু এক সঙ্গে সংক্রমণই ঘটাচ্ছে না। এর সাথে দেখা যাচ্ছে এটি টিকার বাধাও মানছে না। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট দেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হলেও ব্যক্তিগত সচেতনতার মাধ্যমে এর সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব।

তবে ঈদ যাত্রায় এ সংক্রমণের মাত্রা
কয়েকগুন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও করেন এ গবেষক।

ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির জন্য তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তার মধ্যে একটি হলো করোনার অতি সংক্রামক ধরনের বিস্তার। সে ক্ষেত্রে পাশবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ঝূঁকি অনেকটাই বেশি। এমন পরিস্থিতিতে আগের তুলনায় আরো বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বর্তমান সময়ের ঈদযাত্রা এ সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author