হোসেনপুরের কাস্তে পল্লীতে করোনার থাবা

কাস্তে পল্লী হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের আড়াইবাড়িয়া গ্রাম। সারা বছরই লোহাজাতীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি হলেও ধান কাটা মৌসুমে কাস্তে তৈরিতে ব্যস্ততা বাড়ে। এই গ্রামে বছরজুড়েই থাকে টুং টাং শব্দ। বিভিন্ন বয়সী কারিগর দিন রাত ব্যস্ত লোহাজাতীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরিতে।

বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে কাস্তে তৈরিতে দম পেলার ফুরসত থাকে না তাদের। ধান কাটা শুরুর সঙ্গে ধুপ পড়ে কাস্তে তৈরি আর বিক্রির। প্রতি বছর এমন সময়ে বিভিন্ন জেলার পাইকারদের ভিড় থাকলেও লকডাউনের কারনে এবার অনেকটা ফাঁকা।

প্রতিবছর সারাদেশ থেকে পাইকাররা জড়ো হলেও এবার লকডাউনের কারনে নেই আনাগোনা। এনিয়ে বিপাকে কয়েক হাজার কর্মকার পরিবার ও শ্রমিকরা। আড়াইবাড়িয়া গ্রামের পাঁচশতাধিক কর্মকার পরিবারসহ প্রায় ৪  হাজার শ্রমিক এখন বিপাকে। তারপরও বাপ দাদার পেশা টিকিয়ে রাখতে লড়াই করছে।

সহজ শর্তে ঋণ পেলে কামার শিল্পে জড়িতরা এ পেশা ধরে রাখতে পারবেন বলে মনে করেন জনপ্রতিনিধি হোসেনপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড কমিশনার শামীম খান।

কামার, কুমার ও নাপিত পেশার ৬০ জনকে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও আর্থিক সহায়তার কথা জানান হোসেনপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এহছানুল হক। আর করোনার সময়ে সরকার আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে কামার শিল্প ও কারিগরদের এ পেশায় টিকিয়ে থাকতে সহযোগিতা করবে-এমন প্রত্যাশা সবার।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author