করোনার বিস্তার বাড়লেও নগরবাসী অসচেতন!

করোনার
বিস্তার বাড়লেও সচেতন হচ্ছেন না নগরবাসী। সংক্রমণরোধে কিছুতেই সরকারি নির্দেশনা
প্রতিপালন করছেন না তারা। নানা অজুহাতে যে যেভাবে পারছেন ঘরের বাইরে বের হয়ে
আসছেন। অবলীলায় ঢাকার বাইরে থেকে মানুষ ঢুকছেন রাজধানীতে। তল্লাশি চৌকি
বসিয়েও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে
পারছে না আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সর্বাত্মক লকডাউনের ৭ম দিনে এমন
চিত্র গোটা ঢাকা শহরে।

যাত্রাবাড়ী, রাজধানীর অন্যতম
প্রবেশপথ। যানবাহনের চাপ আর মানুষের অবাধ বিচরণ দেখে বোঝার উপায় নেই সর্বাত্মক লকডাউনের ঘেরাটোপে বাংলাদেশ। মানুষের স্রোত তো আছেই, ব্যারিকেড দিয়ে এমনকী রিকসা চলাচলও ঠেকানো সম্ভব হচ্ছেনা।

রাজধানীর
আরেকটি অন্যতম প্রবেশপথ গাবতলীতেও দেখা যায় মানুষের ঢল। বাধাহীনভাবে পায়ে হেটে
কিংবা বিভিন্ন বাহনে চড়ে রাজধানীতে চলছে আসা যাওয়া। দ্বিপ্রহর পর্যন্ত এ পয়েন্টে চোখে পড়েনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
কোনো সদস্যকে।

আবদুল্লাহপুর, ঢাকার
আরেকটি প্রবেশথ। পুলিশের
চেকপোস্ট থাকলেও কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই রাজধাতে প্রবেশ করছে যানবাহনসহ অসংখ্য
মানুষ। এদিকে মনোযোগী না হয়ে অলস সময় পার করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

সর্বাত্মক লকডাউনের ৭ম দিনে যানবাহনের চাপ এতোটাই যে, তা
সামলাতে রীতিমত বেগ হতে হয় পুলিশকে।

মহাখালীতে
ঢাকার বাইরে থেকে আসা ত্রিচক্রযানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

লকডাউন বা বিধিনিষেধ না মানার প্রবণতায় এগিয়ে পাড়ামহল্লা
ও অলিগলি।  রাস্তার মাঝে ব্যারিকেড দিয়ে লকডাউন লেখা থাকলেও, তাতে দিকপাত
করছেন না কেউই।

এদিকে, আগের বিধিনিষেধ বহাল রেখে লকডাউনের মেয়াদ আরো সাতদিন বাড়িয়ে প্রজাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author