কিশোরগঞ্জের দুই গ্রাম পুরুষশূণ্য

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কথা কাটাকিাটিকে ঘিরে আগানগরের খলাপাড়ায় ও লুন্দিয়া গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংগর্ষ হয়। এতে মকবুল ও পাভেল মিয়া নামে ২ জন নিহত, অন্তত ২০ জন আহত হন। এসময় ভাংচুর ও লুটাপাট চালানো হয় তিন শতাধিক বাড়িঘরে। এসব ঘটনায় দুটি মামলায় আসামী ২ হাজার মানুষ। এছাড়া ঢাকা ও কিশোরগঞ্জে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন সংঘর্ষে আহত আরও ৫ জন।

এখন গ্রেফতার আতঙ্কে ২ গ্রাম পুরুষশুণ্য। শিশু-কিশোর নারীরাও আশ্রয় নিয়েছে বিভিন্ন গ্রামের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে। তুচ্ছ ঘটনায় জোড়া খুন, তিন শতাধিক বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ২টি মামলায় আসামি দুই হাজার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প।

এরপরই হামলা ও পুলিশের হাতে গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে প্রাপ্ত বয়স্ক সব পুরুষ। শিশু-কিশোরদের নিয়ে নারীরাও গ্রাম ছেড়ে গেছেন। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষেত্রে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পাকা ধান। প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা। যদিও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, বিকল্প ব্যবস্থায় পাকা ধান ঘরে তোলা হবে।

ভৈরব থানার ওসি মোঃ শাহিন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author