স্বস্তি নেই রাজধানীর পণ্যবাজারে

স্বস্তি নেই রাজধানীর পণ্যবাজারে। লকডাউন ও রমজান কেন্দ্র করে চিনি, ছোলা ও খেসারির ডালের দাম কেজিতে বেড়েছে  গড়ে ৬ টাকা। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে সয়াবিন তেলের দামও বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে।

সর্বাত্মক লকডাউন ও রমজান সামনে রেখে রাজধানীর বাজারগুলোতে বেচাকেনায়
ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা।

চিনি, ছোলা এবং খেসারির ডালের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা।   সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৪০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর একাধিক পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগেও যা ছিল ১৮ টাকা। ঢেঁড়স বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। গত সপ্তাহে করলার দাম ৪০ টাকায় নেমেছিল, যা উঠে গেছে ৫০ থেকে ৮০ টাকায়। ১৫ থেকে ২০ টাকার টমেটো ২৫ থেকে ৩০ এবং বেগুন কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। ১৫ থেকে ২০ টাকার শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

এ ছাড়া কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়ে কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৭০, শিম ৪০, কচুর
লতি ৭০ ও পেঁপে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি প্রতিটি ৪০, বাঁধাকপি ৫০
ও মিষ্টি কুমড়া (ছোট) ৫০ টাকা হয়ে গেছে। কেপসিকাম প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৬০
টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে লেবুর দাম। ছোট আকারের লেবুও
৪০ টাকা হালির নিচে মিলছে না।

পণ্যের এমন উর্ধ্বমূল্যে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস অবস্থা হলেও দোকানিরা
বলছেন, দাম বেশি বাড়েনি।

মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর শান্তিনগর কাচা বাজারে  অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মূল্য তালিকা না থাকায় এবং দামে অসংগতির কারণে তিনটি মুদি দোকানকে অর্থদণ্ড করা হয়।

অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবানও জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাশ।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author