এবারও হচ্ছে না বৈসাবি উৎসব

তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে ১১টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠির বসবাস। এসব সম্প্রদায়ের রয়েছে আলাদা আলাদা সংস্কৃতি। চাকমাদের মতে বিজু, মারমা-রাখাইনরা বলে সাংগ্রাই, তঞ্চঙ্গ্যাদের বিষু মিলে উৎসবের নাম বৈসাবি।

কয়েকদিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে থাকে জলকেলি, পিঠা তৈরি, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাসহ বিভিন্ন গ্রামীন খেলায় রঙ্গিন হয়ে ওঠে পার্বত্য জেলাগুলো। উৎসবে নতুন মাত্রা পায় ক্ষুদ্র-নৃগোষ্টি সম্প্রদায়ের নতুন কাপড়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের পাশাপাশি ধর্মীয় সামগ্রী ক্রয়।

বৈশ্বিক মহামারি করোনায় গত বছরের মতো এবছরেও থমকে গেছে তিন পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠির সবচেয়ে আকর্ষনীয় উৎসব বৈসাবি। পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে নানা আয়োজন থাকলেও গত বছরের মতো এবারও ম্লান উৎসবের আনন্দ। এতে হতাশ পাহাড়ী আর বাঙ্গালী পর্যটকরা।

আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) সকালে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে ছোট্ট পরিসরে পাহাড়িদের প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব বৈসাবির সূচনা করে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠিরা। ভোরে চেঙ্গী নদীসহ বিভিন্ন প্রবাহমান ছড়া-খালে চাকমা সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বয়সীরা ফুল ভাসিয়ে দেয়। এবার ফুল বিজুর প্রধানতম প্রার্থনা ছিল করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তিলাভ। এছাড়াও পুরোনো বছরের দু:খ গ্লানি ভূলে নতুন বছরে ভালো কিছু প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন পাহাড়িরা। অতিমারীতে এবার হচ্ছে না বড় কোনো আয়োজন।

বৈসাবির জমকালো আয়োজন না থাকায় হতাশ ক্ষুদ্র-নৃগোষ্টি সম্প্রদায়। শুধু ধর্মীয় কর্মকান্ড সম্পাদনে উৎব শেষ করার কথা জানান, আয়োজকরা।

এর মধ্যেই ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে করেনামুক্তির প্রত্যাশা করা হবে। বৈসাবি উৎসবে প্রার্থনার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী করোনার প্রকোপ কমে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author