স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে শিল্প প্রতিমন্ত্রীর অনন্য উদ্যোগ

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দেড়শ দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী পেলো শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদারের উপহার স্মার্টফোন। শনিবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর রূপনগরে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুনেছা ভবনে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এসব স্মার্টফোন বিতরণ করেন তিনি।

স্বাধীনতার
সুবর্ণ জয়ন্তীতে মানবতার ভিন্ন উদ্যোগ নেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব কামাল আহমেদ
মজুমদার।

তিনি
বলেন, স্মার্টফোনের
অভাবে কারো শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হবে না, এ লক্ষে আরও দুইশ
শিক্ষার্থীকে স্মার্টফোন দেয়া হবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আর প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আজকের এই মেধাবীরাই আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব
দিবে।

বাংলাদেশের
উন্নয়ন অগ্রযাত্রা বিশ্বে অনুকরণীয় উল্লেখ করে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের
অর্থনীতি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অর্থনীতিসহ নানান সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ।
মধ্যমআয়ের বাংলাদেশে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার দক্ষ
নেতৃত্বের কারণে।

কামাল
মজুমদার বলেন, অনেক দেশকে পেছনে ফেলে এই মহামারি করোনার
ভ্যাকসিন পেয়েছে বাংলাদেশ। অথচ এই ভ্যাকসিন নিয়েও প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়েছে স্বাধীনতা
বিরোধী চক্র। তাদের ষড়যন্ত্র এখনও অব্যাহত আছে।

নিজে
মিরপুর অঞ্চলে প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এই
ভ্যাকসিনের ডোজ দুটি। একটি নেয়ার পর মাঝামাঝি সময়ে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে
চলতে হবে।

করোনা
প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে শেখ হাসিনার উন্নয়ন যাত্রাকে সচল
রাখার নির্দেশ দিয়ে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের এই শিক্ষার্থীরাই হবে
আগামীর উচ্চ আয়ের বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তাই তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনাকে
মোকাবেলা করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রীর
এমন উদারতায় হাসি ফুটেছে অসহায় মেধাবীদের মুখে। বৃহত্তর মিরপুরকে শিক্ষানগরী তৈরির
এই রূপকারের উদারতাকে কৃতজ্ঞ জানিয়েছেন নৈশপ্রহরী বাবার মেধাবী সন্তান হামিম
শিকদার। একটি স্মার্টফোনের অভাবে অনলাইন ক্লাস করতে সমস্যা হচ্ছিল তার। এখন আর সেই
বাধা থাকলো না শিল্প প্রতিমন্ত্রীর ঔদার্য্যে।

শিক্ষানুরাগী
ও জনদরদী এ মানুষটির কল্যাণে হামিম এখন একটি স্মার্টফোনের মালিক বলেন, আমার
সামর্থ ছিল না একটি স্মার্টফোন কিনে অনলাইন ক্লাস করার। শুরু থেকে শিক্ষকরা আমাকে
অনেক উপকার করেছে। আর আজ পেলাম শিল্প প্রতিমন্ত্রী স্যারের দেয়া উপহার।

শুধু
হামিমই নয়- এমন নিম্ন-মধ্যআয়ের দেড়শ পরিবারের মেধাবীরা পেয়েছে এ উপহার।

মনিপুর
স্কুল অ্যান্ড স্কুলের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা
মিরপুরের শিক্ষার প্রসারে কামাল মজুমদারের নানা অবদানের কথা তুলে ধরেন।

রূপনগরে
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুনেছা ভবনে ১০ দিনের আয়োজন অন্তহীন মুজিব, অমর
স্বাধীনতা শীর্ষক উৎসবের শেষ দিনে আলোচনা
সভায় সভাপতিত্ব করেন, মনিপুর স্কুল অ্যান্ড স্কুলের অধ্যক্ষ
ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গভর্নি
বডির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে পুরস্কৃত করা হয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের।
দোয়া করা হয় মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের মাগফিরাত কামনা করে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author