দেশে কমছে আবাদি জমি

জনসংখ্যার সঙ্গে শিল্পায়ন ও নগরায়ন বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কাজনকভাবে কমছে আবাদি জমির পরিমাণ। যার প্রভাব পড়ছে কৃষি উৎপাদনে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে দেখা দেবে খাদ্য সংকট।

দেশে প্রতিবছর শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ হারে কমে যাচ্ছে আবাদি জমি। আপাত দৃষ্টিতে একে তুচ্ছ মনে হলেও সার্বিক জনসংখ্যা ও ভবিষ্যত বিবেচনায় এ হার নিঃসন্দেহে আশঙ্কাজনক। এ ধারা অব্যাহত থাকলে একটা সময় আসবে যখন সীমিত হয়ে আসবে আবাদি জমি ও কৃষি উৎপাদন।

দেশে প্রতিবছর শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ হারে কমে যাচ্ছে আবাদি জমি। আপাত দৃষ্টিতে একে তুচ্ছ মনে হলেও সার্বিক জনসংখ্যা ও ভবিষ্যত বিবেচনায় এ হার নিঃসন্দেহে আশঙ্কাজনক। এ ধারা অব্যাহত থাকলে একটা সময় আসবে যখন সীমিত হয়ে আসবে আবাদি জমি ও কৃষি উৎপাদন।

কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর মূল চালিকা শক্তি হলো প্রান্তিক চাষি। আর উৎপাদন শুরুর নিয়ামক হচ্ছে বীজ। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ঋতুর উল্টাপাল্টা আচরণে সম্প্রতি এই বীজ উৎপাদনেই বেশ বেগ পেতে হচ্ছে চাষিকে বলে জানান জাবির পরিবেশ বিজ্ঞান বিবাগের প্রফেসর ড. সাফি মো. তারেক এবং প্রফেসর ড. এম আমির হোসেন ভূইয়া।

দেশের অর্থনীতিতে কৃষির অবদান মোট জিডিপির প্রায় ১৫ শতাংশ। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিল্পায়ন যেমন দরকার, তেমনি খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কৃষকের স্বার্থরক্ষায় কৃষির উন্নতি প্রয়োজন বলে জানান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শহীদুর রশীদ ভুইয়া।

দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে কৃষির পাশাপাশি শিল্পখাতকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বলছেন, এ থেকে মুক্তি পেতে উন্নত বীজ ব্যবস্থাপনায় জোর দিতে হবে এবং সমানতালে বাড়াতে হবে শিল্পোৎপাদন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author