টাইগারদের সিরিজ জয়

শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৪৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে এবং ১০০ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। ১৪৯ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। কিন্তু সেট হয়েও ২২ রানের ইনিংস খেলে ক্যারিবীয় স্পিনার আকিল হোসেনের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন লিটন। এরপর জেসন মোহাম্মদের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন শান্ত। তিনে নেমে টানা দুই ম্যাচেই ব্যর্থ হলেন এই বাঁহাতি। আগের ম্যাচে করেছিলেন ১ রান, এবার বিদায় নিলেন ১৭ রান করে।

শেষ উইকেটটা ফেলতে সময় লাগছিল টাইগারদের। উইকেটে গেড়ে বসেছিলেন রোভম্যান পাওয়েল। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন শেষ ব্যাটসম্যান আকিল হোসেন। শেষ পর্যন্ত ৬৬ বলে ৪১ রান করা পাওয়েলকে নিজের চতুর্থ শিকার পরিণত করে ক্যারিবীয়দের ইনিংসে ইতি টানেন মেহেদি মিরাজ। ৪৩.৪ ওভারে ১৪৮ রানে অল-আউট হয় উইন্ডিজ।

সিরিজ জয়ে ১৪৯ রানের লক্ষ্যে মাঠে আসেন তামিম-লিটন। রান তাড়ায় প্রথম ৫ ওভারে উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। বেশি বলের মুখোমুখি হয়েছেন লিটন দাস, রান বাড়ানার কাজটিও করেছেন তিনি। ২২ বলে তার রান ২২। তামিম ইকবাল ৯ বল খেলে করেছেন ৪। তবে আর আগায়নি তামিম-লিটন জুটি।  দলীয় ৩০ রানে আকিল হোসেনের বলে এলবি হয়ে ঘরে ফেরেন লিটন।

তামিম বিদায় নিলেও মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে সহজেই বাকি পথ পাড়ি দেন সাকিব। এই বাঁহাতি অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৪৩ রান। ইনিংসটি খেলার পথে মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৫০০ রান এবং ১০০ উইকেটের অনন্য কীর্তি গড়েন সাকিব। এক ভেন্যুতে এমন রেকর্ড সত্যিই অবিশ্বাস্য। অন্যদিকে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক।

এর আগে সাকিব-মিরাজের ঘূর্ণিতে দিশেহারা উইন্ডিজ অলআউট হয় মাত্র ১৪৮ রানে। মোস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।সাকিব আল হাসান ৪৩ ও মুশফিকুর রহিমের ৮ ব্যাটে ৭ উইকেট হাতে রেখে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অভিষিক্ত ছিলেন ছয়জন। দ্বিতীয় ম্যাচে সেই ছয়ের একজন ডানহাতি পেসার চামার হোল্ডারকে বাদ দিয়ে ওপেনিং ব্যাটসম্যান ও লেগব্রেক বোলার জর্ন ওটলে’কে দলে নিয়েছে ক্যারিবীয়রা। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪৫ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ৩১ বছর বয়সী ওটলের।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author