হুমকির মুখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রধান সেচ ক্যানেলের বিভিন্ন অংশ

মহাসড়ক প্রশস্ত করতে ভরাট করা
হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রধান সেচ ক্যানেলের বিভিন্ন অংশ। এতে বন্ধ হতে চলেছে ১৬
হাজার হেক্টর জমির সেচ সুবিধা। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ৩৫ হাজার
কৃষক; প্রভাব পড়বে খাদ্য উৎপাদনেও। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রশস্ত করতে গিয়ে এ হাল
হয়েছে বিএডিসির আশুগঞ্জ-পলাশ এগ্রো ইরিগেশন সেচ প্রকল্পের। তবে জেলা প্রশাসক জানান,সেচ প্রকল্প
চালু রেখেই সড়কের কাজ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

১৯৭৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত পানি কুলিং রিজার্ভারের মাধ্যমে ফসলি জমির সেচ
কাজে ব্যবহার শুরু হয়। বর্তমানে আশুগঞ্জ-পলাশ এগ্রো ইরিগেশন সেচ প্রকল্পের আওতায় ১৬
হাজার হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান করে আসছে বিএডিসি।

গেলো জুনে হঠাৎ কুলিং
রিজার্ভার হিসেবে ব্যবহৃত পুকুরটি বন্ধ করে দেয় পিডিবি। আবার ঢাকা সিলেট মহাসড়ক
প্রশস্ত করতে গিয়ে, ভরাট করা হয়েছে সেচ প্রকল্পের প্রধান ক্যানেলের বিভিন্ন অংশ। এতে
উদ্বিগ্ন কৃষকরা।

জেলার খাদ্য নিরাপত্তা
নিশ্চিতে সেচ প্রকল্পটি চালু রাখা উচিৎ বলে মনে করে কৃষি বিভাগ।

আর বিএডিসি বলছে, সেচ কাজ
অব্যাহত রাখতে চেষ্টা করছেন তারা।

নকশা কিছুটা পরিবর্তন করলে
সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য।

আর সেচ প্রকল্প সচল রেখেই
মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানোর কথা জানান জেলা
প্রশাসক।

বিএডিসির সেচ প্রকল্পের প্রধান ক্যানেল ভরাট করায় কৃষি উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় জেলার
২২ টি ইউনিয়নের প্রায় ৩৫ হাজার কৃষক।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author