ভ্যাকসিন কেনা প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

করোনার টিকা কেনা, সংরক্ষণ ও পরিবহনে প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক। এতে ব্যায় হবে ৪ হাজার ৩শ’ ১৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩০ কোটি টাকা খরচ করা হবে, বাকিটা পর্যায়ক্রমে।

মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। সভায় প্রকল্পটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। মূলত ভ্যাকসিন কেনার জন্যই চলমান প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ অনুমোদন দেওয়া হয়। ভ্যাকসিন কেনাসহ একনেক সভায় এ দিন মোট ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত বছর অনুমোদন দেয়া প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিলো ১ হাজার ১২৭ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। সংশোধন করে ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি ৭ লাখ ১৯ হাজার টাকা বাড়িয়ে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৬ হাজার ৭৮৬ কোটি ৫৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা। তবে নতুন করে বাড়ছে না প্রকল্পের মেয়াদ, আগের অনুমোদিত সময় ২০২৩ সালের জুনেই শেষ হবে প্রকল্পটি।

প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ঋণের এই অর্থে, করোনা ভ্যাকসিন কেনার সঙ্গে সংরক্ষণ ও বিতরণও করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের অর্থে দেশের ২৭টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পিসিআর মেশিনসহ আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব স্থাপন করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি দেশের ৫টি ইমিগ্রেশনে ৭টি মেডিকেল স্ক্রিনিং ইউনিট স্থাপন করা হবে। যার মধ্যে তিনটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, চট্টগ্রামের শাহ আমানত, সিলেটের ওসমানি বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম বন্দরে একটি করে ইউনিট স্থাপন করবে সরকার।

প্রকল্পের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের জন্য অন্যতম মাইলকফলক। বিশ্বব্যাংক টিকা কেনা প্রকল্পে ৫০ কোটি ডলার দিয়েছে, এটা ইতিবাচক। টিকা কেনা প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে ইমিউনিটি সিস্টেম বাড়ছে। টিকা কেনা প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে মেঘলা দিন কেটে যাচ্ছে, আমরা আলোর মুখ দেখছি। দেশের অর্থনীতি সচল হবে। আমরা বিশ্বাস করি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের দেশের অর্থনীতি আগের অবস্থানে ফিরে আসবে। মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন হবে করোনা ভীতি কেটে যাবে। ’

এছাড়া, ৪৩টি জেলা সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট ও ৬৪টি সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এপিডেমিওলজিক্যাল ইউনিট স্থাপন করা হবে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author