সীমিত আয়োজনে বরণ করা হলো  ২০২১

করোনা পরিস্থিতিতে সীমিত আয়োজনে বরণ করে নেয়া হলো খ্রিস্টিয় নববর্ষ ২০২১। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাতভর আতশবাজি, ফানুশ ওড়ানোসহ নানা আয়োজনে মেতে ছিলো তরুণ যুবারা। নতুন বছরে করোনামুক্তির পাশাপাশি ভেদাভেদহীন, অসাম্প্রদায়িক সমৃদ্ধ দেশ গঠনের প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের। সবার প্রত্যাশা, ২০২০ সালের করোনার বিষের ছাঁয়া যেন না পড়ে ২০২১ এ।

করোনার ছোবলে অনেকটাই টালমাটাল ছিলো পুরো ২০২০ সাল। দুর্ভোগ আর অপ্রাপ্তির বেদনায় পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে, ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বরণ করে নেয়া হলো খ্রিস্টিয় নতুন বছর। আনুষ্ঠানিকতায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও স্বল্পপরিসরে আনন্দে মেতে ওঠে তরুণ যুবারা।

কষ্টের স্মৃতিগুলো পেছনে ফেলে, নবউদ্যমে স্বপ্নের সিড়ি বেয়ে ধরা দেবে সাফল্য, এমন আশা সবার। কমবে বৈষম্য, থাকবে না ভেদাভেদ, মানবিক মূল্যবোধে সহনশীল হবে সমাজ, দেশ, বিশ্ব। দল আর মতের পার্থক্য ভুলে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে, নতুন বছরে এমন প্রত্যাশা সবার।

এদিকে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২১ সালকে বরণ করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এরপরই নতুন বছরকে স্বাগত জানায় অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ প্রশান্ত মহাসাগীয় অঞ্চলের দেশগুলোও নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।

করোনা মহামারির কারণে জনসমাগমের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে বিভিন্ন দেশ। মহামারিতে বিপর্যস্ত ২০২০ সালকে বিদায় দিয়ে যাত্রা শুরু হলো ২০২১-এর। ঘড়ির কাটায় রাত ১২টা বাজার সাথে সাথে বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেব নতুন বছরকে স্বাগত জানায় নিউজিল্যান্ড। অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ারে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ আতশবাজির। করোনার কড়াকড়ির মধ্যেই আলোর উৎসব দেখতে জড়ো হন বহু মানুষ।

এরপরই খ্রিষ্টীয় বর্ষবরণের উৎসবে মেতে উঠে অস্ট্রেলিয়া। প্রতি বছরের মতো সিডনি হারবারে ঐতিহ্যবাহী আতশবাজির আয়োজন ছিল এবারও। তবে, সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে নিষিদ্ধ ছিল জনসমাগম। মানুষের উপস্থিতি ছাড়াই হয় আতশবাজি। বাতিল করা হয় মেলবোর্নের অনুষ্ঠান। নববর্ষকে ঘিরে জাপানে বিভিন্ন মন্দিরে মানুষ সমবেত হয়। খ্রিষ্টীয় নতুন বছর এবং জাপানের রেইয়া যুগের প্রার্থনা করে তারা। জাপানের নিজস্ব প্রাচীন ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সম্রাটদের শাসনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author