ধর্মপাশা-নোয়াবন্দ সড়কের বেহাল দশা

দুই কিলোমিটার সড়কের বেশির ভাগ অংশই ভাঙা। এবড়ো থেবড়ো হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পুরাতন ইট। হেঁটে যেতে গেলেও হুচট খেয়ে পড়তে হয় পথচারীদের। সড়কে অবস্থিত কালভার্টগুলোর দুইপাশ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় যানবাহন উঠতে গিয়ে উল্টে যায়। বৃষ্টি হলে খানাখন্দে পানি জমে মাটির অংশে কাদার সৃষ্টি হয়। জরুরি রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে গেলেও যানবাহনের চালক বেঁকে বসে। প্রায় এক যুগ ধরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা-নোয়াবন্দ সড়কে বেহাল দশার ফলে ১০টি গ্রামের মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

২০০৪ সালে এলজিইডির অধীনে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উকিলপাড়া চৌরাস্তা মোড় থেকে
নোয়াবন পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ হয়। কিন্তু চার-পাঁচ
বছর পরই ধীরে ধীরে সড়কটির পাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভাঙতে থাকে। বর্তমানে
সড়কটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে নোয়াবন্দ, সোনাজানা,
মহিষের বাতান, লংকাপাথারিয়া, দুর্বাকান্দা, মগুয়ারচর, মুরাদপুর,
গাফরকান্দা, আবুয়ারচর ও হলিাদাকান্দা গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন এ
সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সেলিম আহম্মদ বলেন, ‘সড়কটি একেবারেই
চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের বেহাল দশার কারণে ৬নং ওয়ার্ডের
বাসিন্দাসহ আশপাশের গ্রামের লোকজনের দুর্ভোগের শেষ নেই। সড়কটি সংস্কার করার
জন্য একাধিকবার সমন্বয় সভায় উত্থাপন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো
আশানুরূপ ফল দেখতে পাইনি।’

দীর্ঘ বছর সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগি
হয়ে পড়েছে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা-নোয়াবন্দ সড়ক। এতে বিপাকে পড়েছেন ১০ গ্রামের কয়েকহাজার
মানুষ। সামান্য বৃষ্টিতেই ভাঙা অংশে পানি জমে সৃষ্টি হয় খানাখন্দ। কাদাপানি মাড়িয়েও
যাতায়াত করতে হচ্ছে পথচারীদের। ভাঙাচোরার কারণে আপাতত বন্ধ আছে যানবাহন চলাচল।

কয়েক বছর আগে সড়টি সংস্কারের জন্য
প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু
কেন বাতিল করা হয় তা এখনও অজানা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সড়কটির গুরুত্ব
তুলে ধরে একাধিবার সমন্বয় সভায় উত্থাপন করেন। 
আর দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তুলতে
কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন  উপজেলা প্রকৌশলী।

২০০৪ সালে ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নের
উকিলপাড়া চৌরাস্তা মোড় থেকে নোয়াবন্দ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের সংস্কার করা
হয়। কয়েক বছরের মধ্যে এটিও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author