রসায়নে নোবেল পেলেন দুই নারী রসায়নবিদ

এ বছর রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেলেন দুই নারী রসায়নবিদ ইমানুয়েল শার্পেন্টিয়ার ও জেনিফার এ ডৌনা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে, এ পুরস্কার ঘোষণা করে নোবেল অ্যাসেম্বলি।

জিনোম গবেষণার নতুন তত্ত্বের জন্য মার্কিন রসায়নবিদ জেনিফার ও ফরাসি শার্পেন্টিয়ার নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। নতুন এ তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রাণী ও উদ্ভিদের ডিএনএ পরিবর্তন সম্ভব বলে মত দেয় জুরিবোর্ড।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জিনোম এডিটিং বা জিনোম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি পদ্ধতি
বিকাশে অবদানের জন্য এমানুয়েলে কার্পেন্তিয়ের ও জেনিফার এ. দোদনাকে
যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

জিনোম বলতে কোনো জীবের সামগ্রিক ডিএনএকে বোঝায়। জিনোম থেকে ডিএনএ আলাদা
করার উপায়কেই জিনোম এডিটিং বলে। সেটার আবার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। এরমধ্যে
একটি পদ্ধতির বিকাশে অবদান রেখেছেন এ দুই নোবেলজয়ী নারী বিজ্ঞানী।

এমানুয়েলে কার্পেন্তিয়ের ফরাসি নাগরিক। তার জন্ম ১৯৬৮ সালের ১১
ডিসেম্বর। এছাড়া জেনিফার এ. দোদনা মার্কিন নাগরিক। ওয়াশিংটন ডিসিতে ১৯৬৪
সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তার জন্ম। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে কর্মরত।

১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮ সালে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি।

পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধান করা এবং নোবেল পুরস্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ অ্যাকাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।

পাশাপাশি দুই রসায়নবিদের এ আবিস্কারে জীববিজ্ঞানে বৈপ্লবিক প্রভাব, যেকোন ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে থেরাপি এবং বংশগত রোগ নিরাময় সম্ভব বলে জানান পুরস্কারপ্রাপ্তরা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author