ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন প্রকল্প

কলাপাড়া উপজেলার আমখোলা পাড়ায় ৬শ ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে র্নিমিত হয়েছে দেশের দ্বিতীয় সাব-মেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন। সাগরের তলদেশ হয়ে ফ্রান্স, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা ও মিয়ানমার হয়ে ২৫ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এর আরকুলেটেট ফাইবার অপটিক্যাল কেবল পৌঁছেছে কুয়াকাটা সৈকতে।

গেল ৯ আগস্ট কেবল বিপর্যয় সামাল দিলেও কিছুদিন পর মূল সার্ভার লাইনের ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল বের হয়ে আসে। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ন হয়ে উঠেছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন প্রকল্প। ২ হাজার ৬০০শ ভোল্টের ফাইবার অপটিক্যাল কেবল সংযোগে দেয়া হয়নি সতর্কীকরন চিহ্ন। নেইজনসচেতনতা। চিহ্নিতকরন যে খুঁটি রয়েছে তাও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে উপড়ে পড়েছে। এতে যেকোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

সাড়ে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ কেবল
লাইন টানা হয়েছে আমখোলা পাড়ার ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত।
এরপর প্রথম সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারের জিলং পর্যন্ত যুক্ত করতে
তৈরি করা হয় একটি ব্যাকবোন। রক্ষণাবেক্ষণ ও
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না থাকায় ঝুকিতে পড়েছে সুদীর্ঘ এ প্রকল্প।

গেল ৯ আগস্ট সাবমেরিন কেবল স্টেশনের
পাশের কৃষি জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার সময় প্রায় ২৫ ফুট
ক্যাবল কেটে যায়। এ কারণে সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হয়। ঢাকা থেকে
প্রকৌশলীরা গিয়ে সঞ্চালন লাইন মেরামত করে বিপর্যয় সামাল দেন।

তবে জনসচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কুয়াকাটার সাব-মেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক তরিকুল ইসলাম।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author