তিস্তার ভাঙ্গনের মুখে রংপুরের স্মৃতি বিদ্যালয়

তিস্তার ভাঙ্গনের মুখে রংপুরের গঙ্গাচড়ার চারণ সাংবাদিক মোনাজাজ উদ্দিনের স্মৃতি বিদ্যালয়। মাত্র একমাস আগেই বিলিন হয়েছিল লক্ষিটারীর শংকরদহ গ্রাম। চরের বাতিঘর খ্যাত বিদ্যালয়টি রক্ষায় কর্তৃপক্ষ এখনই প্রদক্ষেপ নেবে এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। পানি বাড়ায় তিস্তায় বিলীন হওয়ার পথে পশ্চিম ইচলিগ্রামসহ নানা স্থাপনা।

লক্ষিটারীর চরাঞ্চলের মানুষের শিক্ষার জন্য ৩৩ শতক জমি দান করেছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া। তার প্রস্তাবনাতেই জাগরণীচক্র ফাউন্ডেশন ২০১৩ সালে সেখানে গড়ে তুলেছিলেন চারণ সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিন আনন্দলোক বিদ্যালয়। পশ্চিম ইচলি গ্রামের এই স্কুলটিও এখন ভাঙ্গনের মুখে। এতে চরের শিক্ষার আলোও নিভে যাওয়ার উপক্রম। এতে বিদ্যুতের নতুন সংযোগ স্থাপন কাজও ব্যহত হচ্ছে।

ঈদ-উল আজহার আগেই তিস্তা গ্রাস করেছিল
শংকরদহ গ্রাম। এখন পশ্চিম ইচলি গ্রামটিও গিলছে। তিস্তায় পানি বাড়ায় ভয়াভব রুপ নিয়েছে ভাঙগন। ইতোমধ্যেই ৪ শতাধিক
বাড়িঘর চলে গেছে নদী গর্ভে। ভাঙ্গনের হুমকিতে একমাত্র রাস্তাটিও। ভাঙ্গন ধরেছে
নতুন গতিপথ তৈরি করে বয়ে যাওয়া এসেকেএস বাজার ব্রীজের পাশের পুর্ব ইচলি গ্রামের
ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন সড়কেও।

ভাঙ্গন ঠেকাতে বারবার আবেদন করেও কোন সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ স্থাণীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদির।

তারপরও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তেমন কোন তৎপরতা নেই। তারা বলছে বিষয়টি এখনও সমীক্ষা পর্যায়েই আছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই তিস্তা শাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা না হলে, এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকায় বিপর্যয় নেমে আসবে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author