ইউএনও ওয়াহিদার অবস্থা ভালোর দিকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের অবস্থা উন্নতির দিকে বলে
জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। দেশেই ওয়াহিদা
খানমের যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য আপাতত বিদেশে নেওয়ার
প্রয়োজন নেই বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে
আজ রোববার ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
তিনি ওয়াহিদা খানমের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন। পরে হাসপাতালের বাইরে
অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে ওয়াহিদা খানমের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে
কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের
সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা ইউএনও ওয়াহিদা খানমের চিকিৎসার বিষয়ে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়টি তদারক করছেন। চিকিৎসকরা আমাকে
জানিয়েছেন, ওয়াহিদা খানমের অবস্থা উন্নতির দিকে। তাঁর মাথায় এখনো সামান্য
ব্যথা রয়েছে। তবে এটা সেরে যাবে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখানেই ওয়াহিদা খানমের
উপযুক্ত চিকিৎসা হচ্ছে। আপাতত তাঁকে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার কোনো
প্রয়োজন নেই বলে আমাকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।’

এর আগে গতকাল শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বডুয়াও বলেছিলেন, ‘অস্ত্রোপচারের পর ওয়াহিদা খানম
এখন আপাতত শঙ্কামুক্ত। তাঁর ব্লাড প্রেশার ও পালস স্বাভাবিক আছে এবং তিনি
সবকিছু অনুভব করতে পারছেন।’

ডা. কনক কান্তি বডুয়া আরো বলেন, ‘ইউএনও ওয়াহিদা খানমের পরশু রাতে
অপারেশন হয়েছে। আজ (গতকাল শনিবার) দেখা যাচ্ছে, উনি উনার নাম বলছেন, কোথায়
আছেন সেটা বলছেন। হাত-পা ওঠাতে বললে সেটা পারছেন। কিন্তু ডান হাত আর ডান পা
একদম ওঠাতে পারছেন না। তার মানে উনার অনুভূতি আছে, কিন্তু শক্তি নেই।’

নিউরোসার্জন কনক কান্তি বডুয়া আরো বলেন, ‘অপারেশনের আগের সিটি স্ক্যানের
চেয়ে অপারেশনের পরের সিটিস্ক্যান দেখে বোঝা যাচ্ছে অপারেশনটা ভালো হয়েছে।’

এর আগে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক
অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, ‘ইউএনও ওয়াহিদা
খানমের অবস্থা এখন স্থিতিশীল আছে, প্রাথমিকভাবে ধরা যায় তিনি এখন
শঙ্কামুক্ত।’

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author