শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী রুটের ফেরি চলাচল বন্ধ

টানা তৃতীয়দিনের মত বন্ধ রয়েছে, শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী রুটের ফেরি চলাচল। পদ্মা সেতুর লৌহজং ও শরিয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টে পলি জমে নাব্য সংকটের কারণে এ অচালবস্থা দেখা দেয়। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায়, দু’ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় আছে ৩ শতাধিক যানবাহন। বেশি বিপাকে পরেছে পন্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাডভ্যানগুলো।

শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে গত কয়েকদিন ধরে
যানবাহনের চাপ বেড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে। এতে করে
ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢাকামুখী যাত্রী ও চালকরা।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে
দুটি রো-রো ফেরি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন
(বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ। তবে দুই ফেরি বাড়ানো হলেও দৌলতদিয়া ঘাটে
ভোগান্তি কমেনি।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. মাহবুবুর রহমান জানান, গত
কয়েকদিন ধরে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
যানবাহনের চাপ কমাতে গতরাতে এনায়েতপুরী এবং শাহপরাণ নামে দুইটি বড় ফেরি
যোগ করা হয়েছে। বর্তমানে এ রুটে ১৮টি ফেরি চলছে।

কয়েকদিন যাবৎ ফেরি বন্ধ থাকায় গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় ট্রাক আটকে রাখায়
খোলা আকাশের নিয়ে যাত্রী যাপন করতে হচ্ছে। আঞ্চলিক মহাসড়কে খোলা আকাশের
নিচে থাকার কারণে অনেক জিনিস চুরি হয়ে যাচ্ছে। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে চরম ভোগান্তি পোহাতে
হচ্ছে।

এদিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তারক চন্দ্র পাল জানান,
যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার এবং পচনশীল দ্রব্যের গাড়িগুলোকে
অগ্রাধিকারভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে। যে কারণে অপচনশীল ট্রাক চালকদের
কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ বলছে, ১৩ টি ড্রেজার দিয়ে পলি অপসারণ চলমান আছে। যানবাহন চালকদের বিকল্প রুট ব্যাবহারের অনুরোধ করে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংকট কাটিয়ে উঠতে আরো ৬ দিন সময় লাগতে পারে। জানান, ফেরির সংখ্যা বাড়ার কারণে ভোগান্তি কমবে। তবে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটটি সচল হলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটটি স্বাভাবিক হবে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author