আবরার হত্যা মামলার পরবর্তী শুনানি ৯ সেপ্টেম্বর

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ না হওয়ায় পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে আজকের শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে এ আদেশ দেন। এদি রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ করে সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে।

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল এসব তথ্য জানিয়েছেন। এরআগে সকালে তিনি শুনানি শুরু করে বলেন, কারাগারে থাকা সব আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। মালাটি চার্জ শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। এই মামলাটি চাঞ্চল্যকর। নির্যাতিত পিতা, নির্যাতিত মা ও সমগ্র বিশ্ব এই বিচারের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে আবেদন করছি।

১৩
জানুয়ারি মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য ঢাকা
মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন। এরপর মহানগর দায়রা জজ আদালত দ্রুত
বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৩ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রের ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এর বাইরে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আরও ৬ জনের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এজাহারভুক্ত আসামিরা হলো মেহেদী হাসান রাসেল, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এএসএম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম।

প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। তারা ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে গিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে রাত তিনটার দিকে শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ পরে ২২ জনকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে আট জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এদের সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author