জমে উঠেছে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট। হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে মনিটরিং টিম ও মোবাইল কোর্ট কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম। দুপুরে পূর্বাচলের ডুমনি পশুর হাট পরিদর্শন শেষে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) মস্তুল ডুমনী বাজারমুখী রাস্তার উভয় পাশের খালি জায়গায় স্থাপিত অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট ঘুরে দেখেন এবং গবাদি পশু ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে মেয়র বলেন, এ বছর মহামারির মধ্যেই পশু কোরবানি
দিতে হচ্ছে। মহামারি মোকাবিলা করেই পশু কোরবানি দিতে হবে। এটি অত্যন্ত
চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। আমরা দেখতে পাচ্ছি, বারবার বলার পরও দু-একজন শিশুদের
নিয়ে হাটে এসেছেন। উনারা যদি নিজেদের সুরক্ষার বিষয়টি না বোঝেন, তাহলে
বোঝানো কঠিন।

তিনি বলেন, আমাদের মনিটরিং কমিটি বিভিন্ন হাট নিয়মিত পরিদর্শন করছে।
প্রতিটি হাটে ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি। আপনারাও
এগিয়ে আসুন। তাহলেই মহামারি চ্যালেঞ্জকে আমরা মোকাবিলা করতে পারব। হাটে
কোনো চাঁদাবাজি, মাস্তানি বরদাস্ত করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, ডিএনসিসির ডিজিটাল গরুর হাট আছে, সেখান থেকেও পশু কিনতে
পারেন। আমি অনুরোধ করব ডিজিটাল হাট থেকে পশু কোরবানি দিন। অনলাইনে পশু
কোরবানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বছিলায় পশুকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে হালাল উপায়ে
কোরবানি দিয়ে মাংস প্রস্তুত করে বাসায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া ২৫৬টি স্থানে কোরবানি দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপনারা মেহেরবানি
করে পশু কোরবানি দেয়ার পরে বর্জ্য নির্দিষ্ট ব্যাগে রেখে দিন। ডিএনসিসির
পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তা সংগ্রহ করবেন।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author