ঢাকার সাভারে বন্যা

বৃষ্টি আর উজানের ঢলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার প্রভাবে বাড়তে শুরু করেছে সাভারের বংশী ও তুরাগ নদীর পানি। তুরাগ নদীর পানি ইতিমধ্যে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সাভারের নিম্নাঞ্চল হঠাৎ প্লাবিত হয়েছে। তবে কিছুটা বিপদ সীমার নিচে বংশী নদীর পানি।

এতে ডুবে গেছে অনেক ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট। তলিয়ে আছে কয়েক হাজার একর ফসলী জমি। ভেসে গেছে পুকুর ও ঘেরের মাছ। বেশি ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের মানুষ। উপজেলার কান্দিভাকুর্তা, নলাগরিয়া, খাগুড়িয়া, চুনারচরসহ অনেক গ্রামের মানুষ কৃষিকাজ করে জীবন যাপন করে। কিন্তু বন্যার কারনে এসব এলাকার মানুষ বিপাকে পড়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষকরা।

সাভার-আশুলিয়া-ধামরাইয়ের (ঢাকা বিভাগ-২) পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাহাত রশিদ জানান, গত কয়েকদিন ধরে এই দুই নদীর পানি বাড়ছে। ফলে প্রতিদিনই নজর রাখছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, ২৭ জুলাইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী তুরাগ নদীর পানি বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ তুরাগ নদীর পানির বিপদসীমা ৫.৯৫ মিটার। বর্তমানে ৬.০৫ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে বংশী নদী নদীর পানি বিপদ সীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ৭.৩০ সেন্টিমিটার হলো এই নদীর বিপদ সীমা। বর্তমানে ৬.৯৪ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানিবন্দি হয়ে নিদারুণ কষ্টে পড়েছেন এ এলাকার হাজারো মানুষ। নিন্মআয়ের লোকজন অপেক্ষার প্রহর গুনছেন সাহায্যের। বিভিন্ন ফসলের ভালো ফলন হলেও পানিতে তলিয়ে গেছে বেশিরভাগ জমি।

হঠাৎ বন্যায়
জনগন দূর্ভোগে পড়েছে উল্লেখ করে ত্রাণ সহয়াতার কথা জানালেন তেতুলঝড়া ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর।

আর ভানবাসি
মানুষের পাশে থাকাসহ সবধরনের সহোযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল
আলম রাজিব।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author