করোনাকালে বেড়েছে বাইসাইকেল বিক্রি

করোনাভাইরাস অনেক পণ্যের চাহিদা কমিয়ে দিলেও বাড়িয়ে দিয়েছে বাইসাইকেল বিক্রি। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে গণপরিবহনে উঠছেন না অধিকাংশ মানুষ। গন্তব্যে পৌঁছাতে তাই বিকল্প বাহন হিসেবে তাঁদের অনেকে বেছে নিচ্ছেন বাইসাইকেল।

পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ বাহন হিসেবে সারা পৃথিবীতেই খ্যাতি
আছে দুই চাকার বাহন বাই-সাইকেলের। করোনা মহামারিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা আর নানান বয়সী
মানুষের কাছে তেল,গ্যাসের ঝামেলা বিহীন এ বাহনটি আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে যারা গণপরিবহনে যাতায়াত করেন, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি
এড়াতে তাদের কাছে বাইসাইকেল হয়ে উঠছে নির্ভরতার প্রতীক।

আলাদা লেন না থাকায় রাজপথে সাইকেল চালানো কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ
হলেও করোনাকালে রাজধানীর মূল সড়কে একা একা কিংবা দলবেঁধে চোখে পড়ে এমন অসংখ্য
সাইকেল আরোহীর।

স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ চলাচলে বাইসাইকেলের ব্যবহারকে উৎসাহিত
করেছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র ও পরিবেশবিদরা।

ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুন্দর ঢাকা উপহার দিতে নগরবাসীদের বাইসাইকেল ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

পুরান ঢাকার বংশালে ১৫০টির মতো সাইকেলের দোকান রয়েছে। যেখানে সাধারণত  প্রতিদিন আমরা ৩ থেকে ৪টি সাইকেল বিক্রি করি। তবে বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতিতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০টি করে সাইকেল এখন বিক্রি ।

লকডাউনে যেকোনও সময়ের তুলনায় বংশালের সব দোকানেই সাইকেল বিক্রির মাত্রা বেড়েছে। এমনকি চাহিদা পূরণে স্থানীয় নির্মাতা থেকে শুরু করে আমদানিকারকরাও হিমশিম খাচ্ছে। কারণ পর্যাপ্ত সাইকেলের স্টক তাদের নেই।

জানা গেছে, দেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ চাহিদা রয়েছে এ দ্বি-চক্রযানের। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই আমদানি করা হয়। বাকিটা তৈরি হচ্ছে দেশে।সব মিলিয়ে দেশে বাইসাইকেলের বাজারের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author