বিশ্বে প্রায় পৌনে ৩ লাখ মানুষের মৃত্যু

বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্ত
হয়ে ২ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯ লাখ ৩৫
হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যুর দিকে থেকে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
তিন ও চার নম্বরে অবস্থান ইতালি ও স্পেনের। এছাড়া জার্মানি, ব্রাজিল, ইরান,
বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশে অব্যাহত রয়েছে করোনায় প্রাণহানি। এদিকে, দ্রুত সংক্রমণ রোধে ব্যর্থ হলে এক বছরে আফ্রিকা
মহাদেশে দুলাখ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিস্তারিত
ডেস্ক রিপোর্টে।

বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত ইমারত হোয়াইট হাউজেও এবার হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত খানসামা এবং এক সেনাসদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজবিভিন্ন
দেশে প্রকোপ কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ হচ্ছে করোনায় মৃত্যুর কাফেলা। একদিনে নতুন
করে মারা গেছে দুহাজার ১১৯ জন। মৃতের সংখ্যা বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত প্রায় ৭৭
হাজার আর আক্রান্ত ১২ লাখ ৯৩ হাজারের কাছাকাছি।

প্রাণহানিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা ইতালি এবং স্পেনকে আচমকা ছাড়িয়ে গেছে বিশ্বের আরেক ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাজ্য। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৩০ হাজার ৬শতাধিক। সংক্রমণরোধে নেয়া পদক্ষেপ ব্যর্থ হলে আফ্রিকা মহাদেশে এক লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। এক জরিপের সূত্রে সংস্থাটি জানায়, মহাদেশটির তিন থেকে চার কোটি ৪০ লাখ মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।

এত
হাহাকারের মধ্যেই ভয় জাগানিয়া এক খবর দিয়েছেন হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। মানবদেহে
করোনা সংক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ হতে পারে চোখ-এমন দাবি করে তারা বলছেন,
অন্য যেকোন ভাইরাসের তুলনায় এ মাধ্যমে কভিড-নাইনটিন সংক্রমণের ঝুঁকি অন্তত একশ’ গুণ বেশি ।

হতাশার মধ্যে অবশ্য ভাল খবরও আছে। যাদের শরীরে ভিটামিন ডির পরিমাণ বেশি তাদের করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতাও বেশি। একদল বৃটিশ বিজ্ঞানী জানান, ইউরোপের ২০টি দেশে আক্রান্ত ও মৃত্যুহার বেড়েছে ভিটামিন ডি-র কমতি থাকায়। তাদের মতে,শ্বাসনালীতে সংক্রমণ রোধে ভিটামিন ডি’র কার্যকারিতা অনেক বেশি।

বিশ্বজুড়ে ঘৃণার সুনামি বন্ধ
করতে সবার প্রতি আহ্বান
জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও
গুতেরেস। এ মহামারি
ঘৃণা, আতঙ্ক ও জাতিবিদ্বেষের সুনামি
সৃষ্টি করেছে। এবং ইহুদিবিদ্বেষী
ষড়যন্ত্র তত্ত্বের বিকাশ ও অনলাইনে
ইসলামবিদ্বেষী আক্রমণ চলছে। সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে জাতিবিদ্বেষমূলক ক্ষতিকারক উপাদান সরিয়ে ফেলার
আহ্বানও জানান তিনি।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author