করোনা প্রতিরোধে আশার কথা

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আশার কথা শুনিয়েছেন আমেরিকার একদল গবেষক। করোনাক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় রেমসিডিসিভির নামের অ্যান্টিভাইরালটি যথেষ্ট কার্যকর বলে দাবি করেছেন তারা। বেশ কিছু পরীক্ষায় সাফল্য পেলেও এখনও ওষুধটি অনুমোদন দেয়নি  যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এফডিএ।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরীক্ষামূলক ওষুধ রেমডেসিভির নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন মার্কিন গবেষকেরা। এক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে ৩০ শতাংশ রোগী দ্রুত সেরে উঠছে এ ওষুধে। যদিও এখন পর্যন্ত করোনা চিকিৎসার জন্য কোনো ওষুধের অনুমোদন দেয়নি যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এফডিএ। তবে জরুরি প্রয়োজনে প্রয়োগে ক্ষেত্রে বুধবার নাগাদ অনুমোদনের ঘোষণা আসতে পারে।

রেমডেসিভিরের প্রথম
ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানো হয় চীনে। সাধারণ ফ্লু না হলেও করোনার চিকিৎসায় ব্যবহার
করা হয় কয়েক ধরনের অ্যান্টিভাইরাল। গেল সপ্তাহে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু রোগীর উপর
প্রয়োগ করা হয় রেমসিডিসিভির। তবে তা কাজে আসেনি বলে জানান চীনা গবেষকরা।

ঠিক পরের সপ্তাহে একদল মার্কিন
গবেষক দাবি করেন, করোনাবিরোধী লড়াইয়ে রেমসিডিসিভির কার্যকর প্রভাব দেখা গেছে। বিশ্বের
১৫২টি স্থানে গুরুতর উপসর্গ আছে এমন ২ হাজার ৪০০ রোগীর ওপর রেমডেসিভির প্রয়োগ করা হয়। এ ছাড়া্ মধ্যম পর্যায়ের
উপসর্গ আছে,অন্তত ১৬৯টি হাসপাতালে এমন ১ হাজার ৬০০ রোগীকেও ওষুধটি ব্যবহার করা হয়।।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ওষুধ ইনজেকশনের
মাধ্যমে সরাসরি রোগীর রক্তে প্রবেশ করানো হয়। এরপর ওষুধটি মানবদেহে থাকা
রাইবোনিউক্লিক এসিড বা আরএনএ পলিমেরাজ নামের একটি এনজাইম বিকল করে দেয়। ফলে ভাইরাসটিও কর্মক্ষম
হয়ে পড়ে। কারণ
করোনার মত অনেক ভাইরাস নিজেদের অনুলিপি তৈরি করতে এই এনজাইমটি ব্যবহার করে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লিডসের
ভাইরোলজিস্ট স্টিফেন গ্রিফিন বলেন, রেমডেসিভির নিয়ে সবচেয়ে বেশি মনোযোগী হওয়ার
কারণ, এখন পর্যন্ত এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এবং কোনো
অলৌকিক ওষুধ এটা নয়। তবে এটি যদি কিছু মানুষকে জটিল
পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করে,
তবে অবশ্যই বিশ্বাসীর জন্য মঙ্গলময়।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author