ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন করলো বাংলাদেশ। সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র্রে কার্যক্রম উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, উন্নত প্রযুক্তির পাসপোর্ট চলে আসায় মানুষ আর হয়রানির শিকার হবেন না। ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ করায় বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে বলে মনে করেন তিনি।

ই-পাসপোর্টে এমবেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে পাসপোর্টধারীর বায়োগ্রাফিক ও বায়োমেট্রিক তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করা সম্ভব। বিশেষ চিপ রিডারের মাধ্যমে সংরক্ষিত তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ থাকায় ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়াও হবে সহজ ও দ্রুত। ই-পাসপোর্টের সঙ্গে ই-গেটও চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এতে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোকে স্বয়ংক্রিয় বর্ডার ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা যাবে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ১১৯ তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ১ম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট যুগে পা রাখলো বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের গলাকাটা যুগ থেকে বেরিয়ে উন্নত বিশ্বের আদলে আধুনিক পাসপোর্ট ব্যবস্থায় প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। এই পদ্ধতিতে ইমিগ্রেশনেও হযরানী কমবে বলে মনে করেন সরকার প্রধান।

ই-পাসপোর্টের জন্য ২০১৭- ১৮ সাল থেকে পরবর্তী দশ বছরের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। এর আওতায় ইতোমধ্যেই ৭২ টি আঞ্চলিক অফিস, ২ টি ডিপ্লোমেটিক সেন্টার ও বিদেশের ৮০ টি বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট চালু করা হয়েছে।  

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author