কুয়াকাটায় বেচাকেনা হয় কয়েক কোটি টাকার শুটকি

শুঁটকি উতপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার জেলে সম্প্রদায়। গুণেমানে সুখ্যাতি থাকায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার শুঁটকি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। পটুয়াখালীতে শুটকি তৈরীর মৌসুম শুরু হয় নভেম্বরে। আর শেষ হয় মার্চে। টানা ৫ মাসে কর্ম ব্যস্ত থাকে কুয়াকাটার শুটকি পল্লীগুলো। সাগর থেকে লইট্যা, ট্যাংরা, রূপচাঁদা, ছুড়ি ও চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরন করার পর বিশেষ পদ্ধতির চাংয়ে শুকিয়ে শুটকি করেন ব্যাবসায়ীরা। পরবর্তীতে তা চলে যায় রাজধানীসহ দেশের বাইরেও।

শুটকি উতপাদনে লাভবান হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও  মধ্য স্বত্বভোগীরা। কিন্তু নায্য মজুরী পাচ্ছেনা শ্রকিরা। তবে শুটকির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বেচা বিক্রিতে খুশি দোকানীরা। শুটকি সম্ভাবনাময় শিল্প উল্লেখ করে একে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের সুদৃষ্টি চাইলেন মালিকরা। এদিকে, শুটকি পল্লীগুলো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকায় ক্ষুব্ধ পর্যটকসহ ক্রেতারা।

এরইমধ্যে শুটকি পল্লীর ২৮০ জন মালিক-শ্রমিককে প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে বলে জানান কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। কুয়াকাটা ছাড়াও পটুয়াখালীতে
আরো ৫টি শুটকি পল্লী রয়েছে। যেখানে প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকার শুটকি বেচাকেনা
হচ্ছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author