কুমিল্লার লাকসামে জমিদার বাড়ি দখল

শত বছরের জমিদার বাড়ীর সম্পত্তি দখল ও চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার লাকসামে। একই সঙ্গে একটি মন্দিরে বন্ধ রয়েছে সনাতন ধর্মালম্বিদের উৎসব। এ নিয়ে জমিদারের বংশধররা উচ্ছেদ আতঙ্কে ভূগছে। উপজেলার দৌলতগঞ্জ ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগিরা অভিযোগ তুললেও কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা। এবিরুদ্ধে।

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার জমিদার চন্দ্রকুমার চৌধুরীর ৬০৮ দাগে সাবেক সি এস-এ ৮৭ শতক ভূমি রেকর্ড থাকলেও তার বংশধরদের দাবী আর এস-এ ৬০ শতক ভূমি সরকারের নামে উল্লেখ করা রয়েছে। সেই কারণে আর এস-এ ৬০ শতক ভূমি মালিকানা সংশোধনের জন্য ১৯৭৬ সালে কুমিল্লা আদালতে মামলা করেন রনেন্দ্রকৃষ্ণ রায় চৌধুরী। এর পর রেকর্ড সংশোধন করার জন্য রায় পায় তার বংশধরেরা।

মামলা রায় পেয়ে রেকর্ড সংশোধনের জন্য এডিসি এভিনিউ’র কাছে হস্তান্তর করার পর সকল কাগজ পত্র জমা দেয়ার পরও এখন পর্যন্ত সংশোধন হয়নি আর এস এর ৬০ শতক ভূমির মালিকানা। বর্তমানে জমিদার বংশের সম্পত্তি কাগজ পত্রের ভিন্ন খতিয়ানের আর এস রেকর্ড অনুযায়ি ২৭ শতক ও বি এস-এ ১৬ শতক নাম জারি রয়েছে।

এরপরও দৌলতগঞ্জ ভূমি অফিস কর্মকর্তারা নানা ধরণের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ
ভূক্তভোগিদের। শত বছরের মন্দিরে প্রার্থনা বন্ধ রয়েছে এ কারণে। একইসঙ্গে চলাচলের
রাস্তাও অনেকটা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ রনেন্দ্রকৃষ্ণ রায় চৌধুরীর বংশধরদের।

তবে এসব সম্পত্তি এক নম্বর খতিয়ানের দাবি করে ভূমি কর্মকর্তারা বলেন, সরকার  উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। আইনি জটিলতা কাটিয়ে চলাচলের রাস্তা ও মন্দিরে প্রার্থনার ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগি হবে এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author