বিশ্ব ঐতিহ্যে ঠাঁই পায়নি সাত হাজার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় দেশজুড়ে সাত হাজারেরও বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন গত ৩৩ বছরে বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনি। দেশের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোকে সংরক্ষণের তাগিদ দিয়েছেন পরিবেশবাদিরা। নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে দেখভাল না করতে পারার জন্য লোকবল ও অর্থসঙ্কটকে দায়ী করছে কর্তৃপক্ষ।  

শালবন বৌদ্ধবিহার, অষ্টম শতকে নির্মিত এ প্রত্মসম্পদের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই কুমিল্লায় ছুটে আসেন অসংখ্য পর্যটক। প্রচুর সময় কাটালেও তৃপ্ত হতে পারেন না কেইউ।

লালমাই পাহাড় এলাকায় বিহার ঘিরে থাকা শাল গজারির বন বিলুপ্তির পথে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। একই কারণে ৩৩টি ভিক্ষু কক্ষও ধ্বংসপ্রায়। ইটখোলা মুড়ায় প্রার্থনারত বৌদ্ধমূর্তির সৌন্দর্যও গেছে ফিকে হয়ে। রোদ-ঝড়-বৃষ্টির ধকল সয়ে টিলার ওপর কোনমতে দাঁড়িয়ে আছে রূপবান মুড়া।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ড. আতাউর রহমান জানালেন, লোকবল ও অর্থের অভাবে এসব নিদর্শন সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।ইতিহাস-ঐতিহ্য জানতে এবং পর্যটন বিকাশে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন  রক্ষার বিকল্প নেই বলে মনে করেন পরিবশেবাদীরা। পর্যটন বিকাশে দ্রুত অর্থবরাদ্দ ও লোকবল সঙ্কট সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন তারা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author