পোল্ট্রি খামারে নিষিদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার

মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হলেও পোল্ট্রি খামারগুলোতে বন্ধ হচ্ছে না নিষিদ্ধ ঘোষিত ৩৫টি অ্যান্টিবায়োটিকের মিশ্রণ। সরকারকে এ বিষয়ে নজরদারি করার তাগিদ দিয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পর ওষুধের কার্যকারিতা শেষ হবার আগে কোন মুরগি জবাই করা যাবে না। তবেই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

মুরগির রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করেন খামারিরা। অনেক সময় আবার খাবার হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ওলাকুইনডক্স নামের এন্টিবায়োটিক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। এটি কমিয়ে দেয় মানবদেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। বিশেষজ্ঞের
মতে, বিশেষ
রোগ থেকে মুরগি রক্ষায় এন্টিবায়েটিক অবশ্যই ব্যবহার করা যাবে। সেক্ষেত্রে ওষুধ
প্রয়োগের পর অপেক্ষা করতে হবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। তার আগে
মুরগি জবাই করা যাবে না।

এরই
মধ্যে কোলিস্টিন,
ফসফোমাইসিন, সিপ্রোফ্লোক্সাসিন, এজিত্রোমাইসিন
ও এমোক্সাসিলিনসহ ৩৫ রকম মিশ্রণ বাতিল করেছে সরকার। ক্ষতিকর
আরো শতাধিক মিশ্রণ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। নির্দেশ
কার্যকর হচ্ছে কি-না, তা
তদারকিতে পোল্ট্রি খামারগুলোতে মাঝেমধ্যে অভিযান চালানোর দাবিও জানিয়েছেন তারা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author