ঈদুল আজহা উদযাপন করতে শেকড়ের টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে রাজধানীতে বসবাস করা মানুষ। ভোরে বাস-ট্রেন-লঞ্চে করে পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন তারা। কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের বেশ ভিড় দেখা যায়। যাত্রীর চাপে পরিবার-পরিজন নিয়ে ট্রেনে উঠতে বেশ বেগ পোহাতে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষকে।

বুধবার কমলাপুর থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাবে তিনটি ঈদ স্পেশালসহ মোট ৩৭টি আন্তঃনগর ট্রেন। যেগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ২৭ হাজার ৮৮৫টি।

এদিকে একইদিনে দূরপাল্লার বাসেরও ঈদ সার্ভিস শুরু হয়েছে। ২৯ জুলাই টিকিট কেনা যাত্রীরা বুধবার ঈদে বাড়ি ফেরার যাত্রা শুরু করছেন। বিশেষ করে গাবতলী বাস টার্মিনালে উত্তরবঙ্গ ও বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীদের চাপ রয়েছে। ভোর থেকেই গাবতলী, মহাখালী ও সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার বাস ছাড়তে শুরু করেছে। বাস টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের স্রোত লক্ষ করা গেছে।

তবে যাত্রীরা টার্মিনালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। যদিও ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর তিন বড় বাস টার্মিনালেই কমিটি করেছিল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অপরিকল্পিত পার্কিংয়ের কারণে টার্মিনাল থেকে বাস বের হতে বেশ বেগ পোহাতে হয়েছে।

এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকেও মঙ্গলবার দিনগত রাত থেকেই বিভিন্ন গন্তব্যের লঞ্চ ছেড়ে গেছে। বুধবার ভোরেও অনেক লঞ্চ ঘাট ছেড়ে গেছে। দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের ২৩টি জেলার মানুষ নদী পথেই বাড়ি ফিরবেন।

শেষবেলায় ভিড় বাড়ার আশঙ্কায় পরিবারের সদস্যদের আগেই
বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছেন অনেকে। ফলে ফাঁকা হতে শুরু করেছে রাজধানী।

এদিকে রেল, বাস ও নৌ টার্মিনালে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এসব স্থানে যাত্রীদের
যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author