ইটভাটায় নির্বিচারে কাঠ ব্যবহারের কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে দেশে গাছের সংখ্যা। আর ইট পোড়ানোর সময় নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভাব ফেলছে জলবায়ুর ওপর। ইটভাটা এলাকায় তাই ব্যহত হচ্ছে ফল ও ফসল উৎপাদন। শুধু তাই নয়, এতে করে জনস্বাস্থ্যেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নির্মাণশিল্পে বিকল্প ইট ব্যবহারের তাগিদ দিলেন গবেষকরা।

মানব সভ্যতার মধ্যস্তরে এসে মাটি দিয়ে ইট বানানো শেখে মানুষ। বিশেষ করে পূর্ব গোলার্ধের আদিম মানুষেরা সভ্যতা বিকাশের মধ্যস্তরে ইট দিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করে। সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে বাড়তে থাকে ইটের ব্যবহার।

এরই ধারাবাহিকতায় দেশে প্রতি বছর প্রায় আড়াই হাজার কোটি ইট তৈরি হয়। এতে ব্যবহার করা হয় প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টন উর্ভর মাটি। ইট পোড়াতে ব্যবহার হয় ৫০ লাখ টন কয়লা ও ৩০ লাখ টন কাঠ। ফলে প্রায় দেড় কোটি টন কার্বন নিঃসরণ হয়।

নগরায়নের সঙ্গে ইট ব্যবহারের সম্পর্ক নিবিড়। তাই ইটের ব্যবহার বন্ধ করতে না পারলে নগরায়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধ্বংস হবে ফসলি জমি,কমবে উৎপাদন। আর বাড়বে পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা। যার মাশুল গুনতে হবে পববর্তী প্রজন্মকে।

তাই ইটের ব্যবহার শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আইন প্রনয়নসহ সমন্বিত উদ্যোগ এবং জনসচেতনতার বিকল্প নেই বলে মনে করেন তারা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author