শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা তরুণ ভোটারদের

আসছে জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন, এক কোটি ২১ লাখ ৭৭ হাজার ২১৪ জন তরুণ ভোটার। যাদের ওপর অনেক প্রার্থীর জয়-পরাজয় নির্ভর করছে। প্রার্থীদের কাছে এসব তরুণ ভোটারের চাওয়া-পাওয়ার তালিকাটা তেমন দীর্ঘ না। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ মৌলিক কিছু বিষয়ে বিশেষ নজর দেবেন, এমনটাই চাওয়া তাদের।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০ জন।  ২০১৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৬৭ আর ২০০৮ সালে ৮ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩ জন। ১০ বছরের ব্যবধানে ভোটার বেড়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ৩ হাজার ৪৭৭ জন।

এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন প্রায় সোয়া কোটি তরুণ ভোটার। যারা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দী দল ও প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এসব তরুণ ভোটার। বিগত দুই নির্বাচনের আলোকে এসব ভোটারের দাবি একটাই, কেন্দ্রে গিয়ে যাতে নিজের ভোট নিজে দেয়ার পরিবেশ সৃষ্টি হয় সবার আগে তা নিশ্চিত করা।

ভোটের ময়দানে প্রার্থীর যোগ্যতা ও সততাই প্রাধান্য পাবে, বলছেন তরুণ ভোটাররা। দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বেকার সংখ্যা। এ নিয়ে প্রার্থীরা কি ভাবছেন ব্যালটে সিল মারার সময় সেটিকেও বিবেচনায় রাখা হবে।

নির্বাচনের আগে যে মানসিকতা থাকে, ভোটের পর তা যেন পাল্টে না যায় প্রার্থীদের সেটিও মনে রাখা উচিত বলে মনে করেন তরুণ ভোটাররা।

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment