প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে প্রতিবছরই বাংলাদেশের কৃষিখাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভূগর্ভস্থ পানি কমে যাওয়া ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মাটিতে লবনাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনও কমছে। ফলে লবনাক্ততা সহিষ্ণু জাতের ফসল উদ্ভাবনের তাগিদ সংশ্লিষ্টদের। গবেষকরা বলছেন, এখনই উদ্যোগ না নিলে কৃষিখাতে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

জলবায়ু পরিবর্তন, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা, প্রলয়ংকরী ঝড় দক্ষিণাঞ্চল ও উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব এলাকায় লবন সহিষ্ণু ফসলের বীজ ও কৃষকের প্রশিক্ষণের অভাবে লাখ লাখ হেক্টর জমি অনাবাদি থেকে যাচ্ছে। মিঠা পানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম।

এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজন ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন। একই সঙ্গে প্রয়োজন ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অব্যাহত রাখতে লবন, বন্যা, খরা, তাপ সহিষ্ণু এবং আলোকসংবেদনশীল ধানসহ বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন জরুরী। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি করতে হবে অভিযোজন কৌশল ও নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, এমনটাই বলছেন গবেষকরা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment