বছরের শুরু থেকেই ভোক্তা ঋণ ও আমানতে সুদের হার বাড়িয়েছে বেশিরভাগ বেসরকারি ব্যাংক। ভোক্তা ঋণের লাগাম টেনে ধরতে ও তারল্য বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে দাবি ব্যাংকগুলোর। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন,সুদের হার বাড়লে কেবল উৎপাদন খরচই বেড়ে যাবে না,বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হবে। বিষয়টিকে পুরোমাত্রায় অযৌক্তিক বলেছেন অর্থনীতিবিদরা।

বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় গত কয়েক বছরে ব্যাংকগুলোতে বেড়ে গেছে অলস অর্থের পরিমাণ। এ অবস্থায় গেল বছর থেকে আমানত ও ঋণে সুদের হার কমিয়ে দেয় বেসরকারি ব্যাংকগুলো। পাশাপাশি বাড়িয়ে দেয় ঋণ বিতরণের পরিমাণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে,গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে গড়ে প্রায় ১৮ শতাংশ।

সর্বশেষ মুদ্রানীতিতে বলা আছে,ব্যাংকগুলোতে কমপক্ষে ১৬ দশমিক পাঁচ শতাংশ অর্থ রাখতে হবে। যা আগের তুলনায় দেড় শতাংশ বেশি। কোটা পূরণ করতে সুদের হার বাড়ানো হয়েছে, দাবি স্ট্যার্ন্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের।

স্বল্পমেয়াদি ঋণে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিট বা একক সংখ্যায় রাখার দাবি জানালেন ইএবি সভাপতি। অর্থনীতিবিদের মতে,বিনিয়োগের বিষয়টি নির্ভর করে উদোক্তার সিদ্ধান্তে। এর সঙ্গে সুদের হার কমানো বাড়ানোর সম্পর্ক নেই।

ঋণ আমানতের অনুপাত, এডিআর নির্দিষ্ট কোটা পূরণ হলে সংকট কেটে আসবে বলে মনে করেন এ অর্থনীতিবিদ।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment