বিশ্বে প্রতিবছর যক্ষ্মায় মারা যাচ্ছে ১৭ লাখ মানুষ। যদিও বাংলাদেশে চিকিৎসা সেবায় সাফল্যের হার ৯৫ শতাংশ। তারপরও  প্রতিবছর নতুন করে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হচ্ছে ৬৪ হাজার ৪শ মানুষ। আর আক্রান্ত ৪০ শতাংশ এখনো রোগ নির্ণয়ের বাইরে থেকে যাচ্ছে।  জনসচেতনতা বাড়ায় রোগের হার অনেক কমলেও ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে যক্ষ্মামুক্ত করা চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

যক্ষ্মা, বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস জীবাণু থেকেই যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় মানুষ। মূলত ফুসফুসে আক্রমণ করলেও যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো শরীরে, আক্রান্ত হতে পারে হাড়েঁও। এর শেষ পরিণতি মৃত্যু। তবে রোগ শনাক্ত হলে যক্ষ্মায় এখন আর মৃত্যুর কারণ নেই।

কফ, হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে যক্ষ্মার জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে একজন থেকে আরেকজনের শরীরে। প্রতিদিন দেশে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হচ্ছে ১৪২ জন মানুষ। এর মধ্যে  চিকিৎসা সেবা থেকে মাঝ পথে ঝুরে পড়ায় আবারও আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে।

সচেতনতার অভাবের পাশাপাশি যক্ষ্মা রোগি শনাক্তে এখনো বড় বাধা কুসংস্কার। যক্ষ্মা দিবসে রাজধানীতে এক আলোচনায় জানানো হয় ২০১৭ সালে দেশে যক্ষ্ম রোগি শনাক্ত করা হয় ২ লাখ ৪৪ হাজার ২০১ জন।

২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে যক্ষ্মা মুক্ত করাকে সাহসী অভিযান উল্লেখ করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে সবার সহযোগিতা চাইলেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment