মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে টকশোতে কথা বলছেন বেশ কয়েকজন সাবেক কূটনীতিক। একাত্তরে এদের অনেকের ভূমিকাই ছিল বিতর্কিত। আবার ইতিবাচক ভূমিকা রাখলেও প্রমাণের অভাবে অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি আর সুযোগ সুবিধা থেকে। নতুন প্রজন্মের সামনে সেই তথ্য তুলে ধরা জরুরি বলে মনে করেন গবেষকরা। সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে এ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।

মুজিবনগর সরকারের আহবানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছেন সে সময়ে বিভিন্ন দেশে পাকিস্তানি দূতাবাস ও হাইকমিশনে কর্মরত অনেক বাঙালি। পাকিস্তানের পক্ষেও কাজ করেছেন অনেকে। অবিভক্ত পাকিস্তানের পক্ষে শেষ পর্যন্ত কাজ করলেও দেশ স্বাধীনের পর ভোল পাল্টে দখল করেছেন বড় বড় পদ। নিয়েছেন সরকারি সুযোগ সুবিধাও। নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের প্রকৃত চরিত্র তুলে ধরা জরুরি বলে মনে করেন গবেষকরা।

মুক্তিযুদ্ধে কার কী ভূমিকা ছিল, তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। পাকিস্তানের পক্ষত্যাগিরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাবেন। এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রত্যয়ন দরকার বলে জানান জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক।

মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্নজনের ভূমিকা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার আহবানও জানান তারা।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment