কৃষিজমিতে নেই কৃষকের নিয়ন্ত্রণ। লিখিত চুক্তি কিংবা শষ্যবীমা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষীরা। নারী অংশগ্রহণও কমছে কৃষিকাজে। অন্যদিকে জমির উর্বরতা কমায় উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা কম দামে বিক্রি করছেন জমি, ফলে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন মধ্যস্বত্যভোগীর।

বাংলাদেশ কৃষি নির্ভর দেশ। দরিদ্র ও প্রান্তিক  কৃষক বর্গাচাষে জীবিকা নির্বাহ করেন। এদের সহায়তায় থাকছেন ক্ষেতমজুর শ্রেণি। সম্প্রতি নানা কারণে তাদের জীবিকায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে। গবেষকরা বলছেন, পত্তনি চাষের কারণে কৃষকের সংখ্যা কমছে। তারা বলছেন, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও দুর্বল কৃষক সংগঠনের কারণে জমির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন কৃষকরা।

গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের মতে, এলডিসি অনুযায়ী চলতে গেলে কৃষকদের নিয়েই এগুতে হবে। তাই তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতি জেলাতেই কৃষি আদালত গঠন করা দরকার।

মুক্তবাজার অর্থনীতির সঙ্গে সমন্বয় করে ভূমি ব্যবস্থাপণার প্রয়োজন। রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘গ্রামীণ কৃষকের বর্তমান অবস্থা এবং অক্ষমতায়ন প্রক্রিয়া’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা কৃষিখাত নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে নানা পরামর্শ দেন। এতে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন এরোইন স্টিঘস। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সবার সমন্বিত চেষ্টায় কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

 

Recommend to friends
  • gplus
  • pinterest

About the Author

Leave a comment